سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الشورى 42:50

42:50
او يزوجهم ذكرانا واناثا ويجعل من يشاء عقيما انه عليم قدير ٥٠
أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًۭا وَإِنَـٰثًۭا ۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًا ۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۭ قَدِيرٌۭ ٥٠
اَوْ
یُزَوِّجُهُمْ
ذُكْرَانًا
وَّاِنَاثًا ۚ
وَیَجْعَلُ
مَنْ
یَّشَآءُ
عَقِیْمًا ؕ
اِنَّهٗ
عَلِیْمٌ
قَدِیْرٌ
۟
یا وہ انہیں ملا کردیتا ہے بیٹے اور بیٹیاں اور جس کو چاہتا ہے بانجھ کردیتا ہے۔ یقینا وہ سب کچھ جاننے والا ہرچیز پر قدرت رکھنے والا ہے
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث

অথবা দান করেন পুত্র-কন্যা উভয়ই[১] এবং যাকে ইচ্ছা তাকে বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ সর্বশক্তিমান।

[১] অর্থাৎ, যাকে চান পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন। এখানে মহান আল্লাহ চার প্রকার মানুষের কথা উল্লেখ করেছেন। (ক) যারা কেবল পুত্র সন্তান লাভ করে। (খ) যারা কেবল কন্যা সন্তান লাভ করে। (গ) যারা পুত্র ও কন্যা উভয় সন্তান লাভ করে। (ঘ) বন্ধ্যা; যারা না পুত্র সন্তান পায়, আর না কন্যা সন্তান। মানুষের মাঝে এই পার্থক্য ও তফাৎ আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ কর্তৃক জারী এই তফাৎকে পৃথিবীর কোন শক্তি পরিবর্তন করার সামর্থ্য রাখে না। এই পার্থক্য তো জাতকের দিক দিয়ে। জনকের দিক দিয়েও মানুষ চার প্রকার। যথাঃ (ক) আদম (আঃ)-কে কেবল মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর না বাপ আছেন, আর না মা। (খ) হাওয়া (আলাইহাস সালাম)-কে আদম (আঃ) হতে; অর্থাৎ পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর মা নেই। (গ) ঈসা (আঃ)-কে কেবল নারীর গর্ভ থেকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর বাপ নেই। (ঘ) অবশিষ্ট সকল মানুষকে নারী-পুরুষের মিলনের মাধ্যমে সৃষ্টি করেছেন। তাদের জনক আছে এবং জননীও। فَسُبْحَانَ اللهِ الْعَلِيْمِ الْقَدِيْرِ (ইবনে কাসীর)