Giriş yap
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
Giriş yap
Giriş yap
Dil Seçin
13:34
لهم عذاب في الحياة الدنيا ولعذاب الاخرة اشق وما لهم من الله من واق ٣٤
لَّهُمْ عَذَابٌۭ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَقُّ ۖ وَمَا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِن وَاقٍۢ ٣٤
لَّهُمۡ
عَذَابٞ
فِي
ٱلۡحَيَوٰةِ
ٱلدُّنۡيَاۖ
وَلَعَذَابُ
ٱلۡأٓخِرَةِ
أَشَقُّۖ
وَمَا
لَهُم
مِّنَ
ٱللَّهِ
مِن
وَاقٖ
٣٤
Onlara, dünya hayatında azap vardır, ahiret azabı ise daha çetindir. Allah'a karşı onları bir koruyan da yoktur.
Tefsirler
Katmanlar
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
Hadis
13:34 ile 13:35 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

৩৪-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআ’লা কাফিরদের শাস্তি এবং সৎলোকদের পুরস্কারের বর্ণনা দিচ্ছেন। তিনি কাফিরদের কুফরী ও শিরকের বর্ণনা দেয়ার পর তাদের শাস্তির বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তারা মুমিনমু’মিনদের হাতে নিহত ও ধ্বংস হবে। এর সাথে সাথেই তারা আখেরাতের কঠিন শাস্তিতে গ্রেফতার হবে, যা তাদের দুনিয়ার শাস্তি অপেক্ষা বহুগুণে কঠিন। পরস্পর লা'নতকারী স্বামী স্ত্রীকে যেমন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছিলেনঃ “নিশ্চয় দুনিয়ার শাস্তি আখেরাতের শাস্তির তুলনায় খুবই সহজ।” ওটা ঐরূপ যেমন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “এখানকার অর্থাৎ দুনিয়ার শাস্তি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের শাস্তি চিরস্থায়ী এবং তথাকার আগুনের তেজ এখানকার আগুন অপেক্ষা সত্তর গুণ বেশী এবং তথাকার পাকড়াও ও বন্ধন এতো শক্ত যা কল্পনা করা যায় না। যেমন আল্লাহ তাআ’লা বলেছেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “সেই দিন তাঁর শাস্তির শাস্তি কেউ দিতে পারবে না। এবং বন্ধনের মত বন্ধন কেউ করতে পারবে না।” (৮৯: ২৫-২৬) আল্লাহ তাআ’লা আর এক জায়গায় বলেছেনঃ “যারা কিয়ামতকে অস্বীকার করে তাদের জন্যে আমি প্রস্তুত রেখেছি জ্বলন্ত অগ্নি। দূর হতে অগ্নি যখন তাদেরকে দেখবে তখন তারা শুনতে পাবে ওর ক্রুদ্ধ গর্জন ও চীৎকার। আর যখন তাদেরকে শৃংখলিত অবস্থায় নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা তথায় ধ্বংস কামনা করবে। তাদেরকে বলা হবেঃ আজ তোমরা একবারের জন্যে ধ্বংস কামনা করো না, বহুবার ধ্বংস হবার কামনা করতে থাকো। তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ এটাই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদেরকে? এটাই তো তাদের পুরস্কার ও প্রত্যাবর্তন স্থল।” এরপর পূণ্যবান লোকদের পরিণামের বর্ণনা দেয়া হচ্ছেঃ যাদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার একটি গুণ তো এই যে, তার চারদিকে নদী প্রবাহিত হচ্ছে। তারা যেখান থেকে ইচ্ছা পানি নিয়ে যাবে। সেই পানি নষ্ট হবে না। আবার সেখানে দুধের নহর রয়েছে। দুধও এমন যে, যার স্বাদ কখনো নষ্ট হবে না। সেখানে সূরার নহরও রয়েছে। এতে শুধু সুস্বাদই রয়েছে। এটা কখনো বিস্বাদ হবেনা এবং এতে কখনো নেশাও ধরবে না। তথায় স্বচ্ছ মধুর নহরও রয়েছে এবং সেখানে সর্বপ্রকারের ফলমূল রয়েছে। এবং এর সাথে সাথে রয়েছে প্রতিপালকের করুণা এবং তার ক্ষমা। তথাকার ফল চিরস্থায়ী সেখানকার খাদ্য ও পানীয় কখনো শেষ হবার নয়।হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) কসূফের (সূর্যগ্রহণের) নামায পড়ছিলেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমরা আপনাকে দেখলাম যে, আপনি যেন কোন জিনিষ পাবার ইচ্ছা করেছিলেন। তারপর আমরা দেখলাম যে, আপনি পশ্চাদপদে পিছনে সরতে লাগলেন, এর কারণ কি?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “হ্যাঁ, আমি জান্নাত দেখেছিলাম এবং একটা (ফলের) গুচ্ছ ভেঙ্গে নেয়ার ইচ্ছা করেছিলাম। যদি আমি তা নিতাম তবে যতদিন এ দুনিয়া থাকতো ততদিন তা থাকতো এবং তোমরা তা খেতে থাকতে।” (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)হযরত জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “একদা আমরা যুহরের নামাযে রাসূলুল্লাহর (সঃ) সাথে ছিলাম। হঠাৎ তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন, তখন আমরাও এগিয়ে গেলাম। অতঃপর আমরা দেখলাম যে, তিনি যেন কোন জিনিষ নেয়ার ইচ্ছা করলেন। আবার তিনি পিছনে সরে আসলেন। নামায শেষে হযরত উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আজ আমরা আপনাকে এমন একটা কাজ করতে দেখলাম যা ইতিপূর্বে কখনো দেখি নাই (এর কারণ কি?)।” তিনি উত্তরে বললেনঃ “হ্যাঁ, আমার সামনে জান্নাতকে পেশ করা হয়েছিল, যা ছিল তরুতাজা ও সুগন্ধময়। আমি ওর মধ্য থেকে একগুচ্ছ আঙ্গুর ভেঙ্গে নেয়ার ইচ্ছা করেছিলাম। কিন্তু আমার ও ওর মধ্যে আড় করে দেয়া হয়। যদি আমি ওটা ভেঙ্গে আনতাম তবে দুনিয়া থাকা পর্যন্ত সারা দুনিয়াবাসী ওটা খেতো, অথচ ওটা কিছুই কমতো না।” (এ হাদীসটি হা’ফিয আবু ইয়া’লা (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত উৎবা' ইবনু আবদিস সালামী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একজন বেদুইন নবীকে (সঃ) জিজ্ঞেস করেঃ “জান্নাতে আঙ্গুর থাকবে কি?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “হ্যাঁ।” সে পুনরায় জিজ্ঞেস করেঃ “ওর গুচ্ছ কত বড় হবে?” জবাবে তিনি বলেনঃ “এতো বড় যে, যদি কোন কালো কাক এক মাস ধরে ওর উপর দিয়ে উড়তে থাকে তবুও ওটা অতিক্রম করতে পারবে না।” (এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন) হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জান্নাতবাসী যখন কোন ফল ভাঙ্গবে তখন আর একটি ফল ঐ স্থানে এসে লেগে যাবে।” (এ হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত জা’বির ইবনু আবদিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জান্নাতবাসী খুব খাবে এবং পান করবে, কিন্তু তাদের থুথু আসবে না, নাকে শ্লেষ্ম আসবে না এবং প্রস্রাব ও পায়খানার প্রয়োজন হবে না। তাদের শরীর দিয়ে মিশক আম্বরের মত সুগন্ধময় ঘর্ম বের হবে এবং তাতেই খাদ্য হজম হয়ে যাবে। আর যেমন ভাবে শ্বাস প্রশ্বাস চলে, তেমনি ভাবে নফসের উপর তসবীহ পাঠ ও আল্লাহ তাআ’লার পবিত্রতা বর্ণনার ইলহাম করা হবে।” (এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ) স্বীয় সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)হযরত যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আহলে কিতাবের একজন লোক রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে এসে বলেঃ “হে আবুল কা’সিম (সঃ)! আপনি কি বিশ্বাস করেন যে, জান্নাতবাসী খাবে ও পান করবে?” তিনি উত্তরে বলেনঃ “হ্যাঁ, যার হাতে মুহাম্মদের (সঃ) প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! এখানকার একশ’ জন লোকের পানাহার ও সহবাসের শক্তি সেখানকার একজন লোককে দেয়া হবে।” সে তখন বলেঃ “নিশ্চয় যে খাবে ও পান করবে তার তো পায়খানা ও প্রস্রাবের প্রয়োজন অবশ্যই হবে, অথচ জান্নাতে তো আবর্জনা ও মালিন্য থাকতে পারে না?” জবাবে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “না, বরং ঘর্মের মাধ্যমে সমস্ত হজম হয়ে যাবে এবং ঐ ঘর্মের সুগন্ধ মিশক আম্বরের মত।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) ও ইমাম নাসায়ী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “আমাকে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “জান্নাতে যে পাখীর দিকে তুমি (ওর গোশত খাবার ইচ্ছার) দৃষ্টিপাত করবে তৎক্ষণাৎ ওটা ভাজা হয়ে তোমার সামনে চলে আসবে।” কোন কোন রিওয়াইয়াতে আছে যে, আবার ঐ পাখী আল্লাহর হুকুমে অনুরূপভাবে জীবিত হয়ে উঠে যাবে।'আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “ (জান্নাতে রয়েছে) প্রচুর ফলমূল, যা শেষ হবে না ও নিষিদ্ধও হবে না।” আর এক জায়গায় আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “সন্নিহিত বৃক্ষ ছায়া তাদের উপর থাকবে এবং ওর ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করা হবে।” অন্য এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ “যারা ঈমান আনয়ন করে ও ভাল কাজ করে তাদেরকে দাখিল করবো এমন জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখানে তাদের জন্যে পবিত্র সঙ্গী থাকবে এবং তাদেরকে আমি চির স্নিগ্ধ ছায়ায় দাখিল করবো।” ইতিপূর্বে সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে যে, জান্নাতের একটি গাছের ছায়াতলে দ্রুতগামী সওয়ারীর আরোহী এক শ' বছর পর্যন্ত চলতে থাকবে তথাপি ওর ছায়া শেষ হবে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) (আরবি) (এবং সম্প্রসারিত ছায়া) (৫৬: ৩০) কুরআন কারীমের এই অংশটুকু পাঠ করেন।কুরাআন কারীমে জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা এক সাথে এসেছে যাতে মানুষের মধ্যে জান্নাতের আগ্রহ ও জাহান্নামের ভয় জন্মে। এখানেও আল্লাহ তাআ’লা জান্নাত ও তথাকার কতকগুলি নিয়মতের বর্ণনা দেয়ার পর বলেছেন যে, এটা পরিণাম হচ্ছে খোদাভীরু লোকদের। পক্ষান্তরে কাফিরদের পরিণাম হচ্ছে জাহান্নাম। যেমন এক জায়গায় আল্লাহ তাআ’লা বলেছেনঃ “জাহান্নামের অধিবাসী ও জান্নাতের অধিবাসী সমান নয়, জান্নাতবাসীরাই সফলকাম।”দামেস্কের খুৎবা পাঠক হযরত বিলাল ইবনু সা'দ (রঃ) জনগণকে সম্বোধন করে বলেনঃ “হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের কোন আমল কবুল হওয়া এবং কোন পাপ মোচন হয়ে যাওয়ার কোন সনদ তোমাদের কারো কাছে এসেছে কি? তোমরা কি ধারণা করেছে যে, তোমাদেরকে অযথা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তোমরা আল্লাহ তাআ’লার আয়ত্তের মধ্যে আসবে না ? আল্লাহর শপথ! তাঁর আনুগত্যের প্রতিদান যদি দুনিয়াতেই দিয়ে দেয়া হতো তবে তোমরা সবাই পুণ্য কাজের উপর একত্রিত হয়ে পড়তে। তোমরা কি দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে গেলে? তোমরা কি ওরই পিছনে পড়ে থাকবে? তোমাদের কি জান্নাত লাভের আগ্রহ হয় না, যার ফল এবং ছায়া চিরস্থায়ী?” (এ হাদীসটি ইবনু আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Kuran'ı Oku, Dinle, Araştır ve Üzerinde Düşün

Quran.com, dünya çapında milyonlarca kişinin Kur'an'ı birden fazla dilde okumak, aramak, dinlemek ve üzerinde düşünmek için kullandığı güvenilir bir platformdur. Çeviriler, tefsirler, kıraatler, kelime kelime çeviriler ve derinlemesine inceleme araçları sunarak Kur'an'ı herkes için erişilebilir hale getirir.

Bir Sadaka-i Cariye olarak Quran.com, insanların Kur'an ile derin bir bağ kurmasına yardımcı olmaya kendini adamıştır. 501(c)(3) kar amacı gütmeyen bir kuruluş olan Kur'an Vakfı tarafından desteklenen Quran.com, Elhamdülillah herkes için ücretsiz ve değerli bir kaynak olarak büyümeye devam ediyor.

Keşfedin
Anasayfa
Kuran Radyo
Okuyucular
Hakkımızda
Geliştiriciler
Ürün Güncellemeleri
Geri Bildirim
Yardım
Projelerimiz
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation tarafından sahip olunan, yönetilen veya desteklenen kar amacı gütmeyen projeler
Popüler Bağlantılar

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Site HaritasıGizlilikŞartlar ve koşullar
© 2026 Quran.com. Her hakkı saklıdır