Iniciar sesión
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
Iniciar sesión
Iniciar sesión
Seleccionar idioma
12:58
وجاء اخوة يوسف فدخلوا عليه فعرفهم وهم له منكرون ٥٨
وَجَآءَ إِخْوَةُ يُوسُفَ فَدَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَعَرَفَهُمْ وَهُمْ لَهُۥ مُنكِرُونَ ٥٨
وَجَآءَ
إِخۡوَةُ
يُوسُفَ
فَدَخَلُواْ
عَلَيۡهِ
فَعَرَفَهُمۡ
وَهُمۡ
لَهُۥ
مُنكِرُونَ
٥٨
[Pasados algunos años,] llegaron los hermanos de José [a Egipto en busca de provisiones] y se presentaron ante él, y él los reconoció, mientras que ellos no lo reconocieron.
Tafsires
Capas
Lecciones
Reflexiones.
Respuestas
Qiraat
Hadith
Estás leyendo un tafsir para el grupo de versículos 12:58 hasta 12:62

৫৮-৬২ নং আয়াতের তাফসীর সুদ্দী (রঃ), মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রঃ) প্রভৃতি মুফাসসিরগণ হযরত ইউসুফের (আঃ) ভাইদের মিসরে গমনের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে হযরত ইউসুফ (আঃ) মিসরের উযীর নিযুক্ত হওয়ার পর সাত বছর পর্যন্ত খাদ্য শস্য প্রচুর পরিমাণে জমা করেন। এরপরে যখন সাধারণভাবে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যায় এবং জনগণ এক একটি দানার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ফিরতে থাকে তখন তিনি অভাবীদেরকে দান করতে শুরু করেন। এই দুর্ভিক্ষ মিসরের এলাকায় ছাড়াও কিনআ’ন ইত্যাদি শহরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। হযরত ইউসুফ (আঃ) বিদেশী লোকদেরকে উট বোঝাই করে খাদ্য দান করতেন। স্বয়ং তিনি ও বাদশাহ দিনে শুধুমাত্র একবার দুপুরের সময় দু’ এক গ্রাস খাবার খেতেন এবং মিসরবাসীকে পেট পুরে খাওয়াতেন। সুতরাং ঐ যুগে মিসরবাসীদের উপর এটা একটা আল্লাহর রহমত ছিল। কোন কোন মুফাসসির হতে এটাও বর্ণিত আছে যে, হযরত ইউসুফ (আঃ) প্রথম বছর মালের বিনিময়ে খাদ্য বিক্রি করেন, দ্বিতীয় বছর বিক্রি করেন আসবাবপত্রের বিমিনমিয়ে। এভাবে তিনি তৃতীয় ও চতুর্থ বছরেও খাদ্য বিক্রি করেন। তারপরে বিক্রি করেন স্বয়ং মানুষের জীবন এবং তাদের সন্তানদের বিনিময়ে। সুতরাং তিনি মানুষের জীবন, তাদের সন্তান এবং তাদের অধিকারভুক্ত সমস্ত ধন মালের মালিক হয়ে যান। কিন্তু এরপর তিনি সকলকেই আযাদ করে দেন এবং তাদের মালধনও তাদেরকে ফিরিয়ে দেন। এটা হচ্ছে বণী ইসরাঈলের রিওয়াইত বা বর্ণনা। সুতরাং এটাকে আমরা সত্য মিথ্যা কিছুই বলতে পারি না।এখানে এই বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, মিসরে আগমনকারীদের মধ্যে হযরত ইউসুফের (আঃ) ভাইয়েরাও ছিলেন। তাঁরা তাঁদের পিতার নির্দেশক্রমে মিসরে আগমন করেছিলেন। তাঁদের পিতা অবগত হয়েছিলেন যে, মিসরের আযীয মালের বিনিময়ে খাদ্য প্রদান করে থাকেন। তাই তিনি তাঁর দশজন ছেলেকে সেখানে পাঠিয়েছিলেন এবং হযরত ইউসুফের (আঃ) সহোদর ভাই বিনইয়ামীনকে নিজের কাছে রেখেছিলেন। যাকে তিনি হযরত ইউসুফের (আঃ) পরে খুবই ভালবাসতেন। যখন এই যাত্রীদল হযরত ইউসুফের (আঃ) নিকট পৌঁছেন তখন তিনি এক নজর দেখেই তাঁদেরকে চিনে নেন। কিন্তু তাঁদের কেউই তাকে চিনতে পারেন নাই। কেননা, বাল্যাবস্থাতেই তিনি তাঁদের থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিলেন। ভ্রাতাগণ তাঁকে সওদাগরদের নিকট বিক্রি করে দিয়েছিলেন। তারপরে কি হলো তা তারা কি করে জানবেন? এটা তো ছিল কল্পনাতীত কথা যে, যাঁকে তাঁরা গোলাম হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি আজ মিসরের আযীয হয়ে বসেছেন। এদিকে হযরত ইউসুফ (আঃ) এমনভাবে তাদের সাথে কথাবার্তা বলেন যে, তিনিই যে ইউসুফ (আঃ) এ ধারণাও তাঁদের অন্তরে স্থান পায় নাই। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনারা কিভাবে আমাদের দেশে আসলেন?” তাঁরা উত্তরে বললো: “আপনি খাদ্য দান করে থাকেন এ খবর শুনেই আমরা আপনার রাজ্যে এসেছি।” তিনি বলেনঃ “আমার মনে সন্দেহ হচ্ছে যে, আপনারা হয়তো গুপ্তচর।” তাঁরা বলেনঃ “আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমরা গুপ্তচর নই।” তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনাদের বাসস্থান কোথায়?” তারা জবাবে বলেনঃ “আমরা কিনআ’নের অধিবাসী। আমাদের পিতার নাম ইয়াকুব (আঃ), তিনি আল্লাহ তাআ’লার একজন নবী।” তিনি তাঁদেরকে প্রশ্ন করেনঃ “তোমরা ছাড়া তার আর কোন ছেলে আছে কি? তারা জবাবে বলল “হ্যাঁ, আমরা বারো ভাই ছিলাম। আমাদের মধ্যে যে ছিল সবচেয়ে ছোট এবং পিতার চোখের মণি সে তো ধ্বংস হয়ে গেছে। তারই এক সহোদর ভাই আছে। তাকে পিতা আমাদের সাথে পাঠান নাই। তাকে তিনি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন। তারই মাধ্যমে তিনি কিছুটা সান্ত্বনা লাভ করে থাকেন।” এরপর হযরত ইউসুফ (আঃ) তার ভৃত্যদের নির্দেশ দেন যে, তাদেরকে যেন সরকারী মেহমান মনে করা হয় এবং সম্মানজনক স্থানে তাদেরকে থাকার ব্যবস্থা করা হয় ও উত্তম খাবার খেতে দেয়া হয়। অতঃপর যখন তাঁদেরকে খাদ্য শস্য দেয়া শুরু হলো এবং বস্তা ভর্তি করে দেয়া হলো, আর তাঁদের সাথে যতগুলি বাহন জন্তু ছিল সেগুলি যতগুলি বোঝা বইতে পারে ততগুলিই ওগুলির উপর চাপিয়ে দেয়া হলো তখন হযরত ইউসুফ (আঃ) তাঁদেরকে বললেনঃ “দেখুন! আপনাদের কথার সত্যতার প্রমাণ হিসেবে আপনাদের যে ভাইটিকে এবার সঙ্গে আনেন নাই, পরবর্তী সময়ে তাকে অবশ্যই সাথে নিয়ে আসবেন। দেখুন! আমি আপনাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করেছি এবং আপনাদের সম্মান প্রদর্শনে একটুও ক্রটি করি নাই।” এভাবে তাঁদের উৎসাহ প্রদানের পর আবার ধমকও দেন। তিনি বলেনঃ “পরের দফে যদি আপনারা আপনাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে না আনেন তবে খাদ্যের একটি দানাও আপনাদেরকে দেয়া হবে না এমনকি আপনাদেরকে আমার কাছেও আসতে দেবো না।” তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিল এবং বললো, “আমরা আমাদের পিতাকে বুঝিয়ে সুঝিয়েবলবো এবং যে কোন প্রকারেই হোক না কেন আমরা আমাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে আনার চেষ্টা করবো। যাতে আমরা বাদশাহর কাছে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত না হই।” সুদ্দী (রঃ) বলেন যে, হযরত ইউসুফ (আঃ) তাঁর ভাইদের নিকট থেকে কিছু জিনিষ তার কাছে বন্ধক রেখেছিলেন এবং তাদেরকে বলেছিলেনঃ “আপনারা আপনাদের ঐ ভাইটিকে সঙ্গে করে আমার কাছে আসলেই এটা পেয়ে যাবেন। কিন্তু এটা সত্য বলে মনে হচ্ছে না। কেননা, তিনি তো তাদেরকে পুনরায় তাঁর কাছে ফিরে আসার ব্যাপারে বেশ উৎসাহ প্রদান করেছিলেন এবং অনেক কিছু লোভ দেখিয়ে ছিলেন।যখন ভ্রাতাগণ বিদায়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন তখন হযরত ইউসুফ (আঃ) তাঁর চতুর ভৃত্যদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, খাদ্য দ্রব্য গ্রহণের বিনিময় হিসেবে যে সব আসবাবপত্র তাঁরা আনয়ন করেছে তা যেন তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু এমন কৌশলে এটা করতে হবে যে, তাঁরা যেন মোটেই টের না পায়। তাঁদের বস্তার মধ্যে ঐ আসবাবপত্র গুলি অতি সন্তর্পণে ভরে দিতে হবে। সম্ভবতঃ এর একটি কারণ হচ্ছে: তাঁর মনে হলো যে, যে সব আসবাব তাঁরা খাদ্য দ্রব্য গ্রহণের বিনিময় হিসেবে আনয়ন করেছে সেগুলি যদি তিনি নিয়ে নেন তবে তাদের বাড়ীর অবস্থা কি হবে! আবার এটাও হতে পারে যে, তিনি পিতা ও ভাইদের নিকট থেকে খাদ্যের বিনিময় গ্রহণ করা সমীচীন মনে করেননি। তাছাড়া এও হতে পারে যে, তাঁর ধারণায় যখন তারা বাড়ীতে গিয়ে বস্তা খুলবে এবং তাদের আসবাবপত্রগুলি বস্তার মধ্যে পাবে তখন অবশ্যই তার প্রাপ্য জিনিষ তাঁকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্যে তার কাছে তারা ফিরে আসবে। এই সুযোগে তিনি তাঁদের সাথে পুনরায় মিলিত হতে পারবেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lea, escuche, busque y reflexione sobre el Corán

Quran.com es una plataforma confiable utilizada por millones de personas en todo el mundo para leer, buscar, escuchar y reflexionar sobre el Corán en varios idiomas. Ofrece traducciones, tafsir, recitaciones, traducción palabra por palabra y herramientas para un estudio más profundo, haciendo que el Corán sea accesible para todos.

Como Sadaqah Jariyah, Quran.com se dedica a ayudar a las personas a conectar profundamente con el Corán. Con el apoyo de Quran.Foundation , una organización sin fines de lucro 501(c)(3), Quran.com continúa creciendo como un recurso gratuito y valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Inicio
Radio Coránica
Recitadores
Sobre nosotros
Desarrolladores
Actualizaciones de productos
Retroalimentación
Ayuda
Nuestros Proyectos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyectos sin fines de lucro adquiridos, administrados o patrocinados por Quran.Foundation
Enlaces populares

Ayatul Kursi

Yasin

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqiah

Al-Kahf

Al Muzzammil

Mapa del sitio webPrivacidadTérminos y condiciones
© 2026 Quran.com. Reservados todos los derechos