Sign in
🚀 Join our Ramadan Challenge!
Learn more
🚀 Join our Ramadan Challenge!
Learn more
Sign in
Sign in
Select Language
2:20
يكاد البرق يخطف ابصارهم كلما اضاء لهم مشوا فيه واذا اظلم عليهم قاموا ولو شاء الله لذهب بسمعهم وابصارهم ان الله على كل شيء قدير ٢٠
يَكَادُ ٱلْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَـٰرَهُمْ ۖ كُلَّمَآ أَضَآءَ لَهُم مَّشَوْا۟ فِيهِ وَإِذَآ أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُوا۟ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَذَهَبَ بِسَمْعِهِمْ وَأَبْصَـٰرِهِمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ ٢٠
يَكَادُ
ٱلۡبَرۡقُ
يَخۡطَفُ
أَبۡصَٰرَهُمۡۖ
كُلَّمَآ
أَضَآءَ
لَهُم
مَّشَوۡاْ
فِيهِ
وَإِذَآ
أَظۡلَمَ
عَلَيۡهِمۡ
قَامُواْۚ
وَلَوۡ
شَآءَ
ٱللَّهُ
لَذَهَبَ
بِسَمۡعِهِمۡ
وَأَبۡصَٰرِهِمۡۚ
إِنَّ
ٱللَّهَ
عَلَىٰ
كُلِّ
شَيۡءٖ
قَدِيرٞ
٢٠
It is as if the lightning were about to snatch away their sight. Whenever lightning strikes, they walk in its light, but when darkness covers them, they stand still. Had Allah willed, He could have taken away their hearing and sight. Surely Allah is Most Capable of everything.
Tafsirs
Layers
Lessons
Reflections
Answers
Qiraat
Hadith
You are reading a tafsir for the group of verses 2:19 to 2:20

১৯-২০ নং আয়াতের তাফসীরএটা দ্বিতীয় উদাহরণ যা দ্বিতীয় প্রকারের মুনাফিকদের জন্যে বর্ণনা করা হয়েছে। এরা সেই সম্প্রদায় যাদের নিকট কখনও সত্য প্রকাশ পেয়ে থাকে। এবং কখনও সন্দেহে পতিত হয়। সন্দেহের সময় তাদের দৃষ্টান্ত বৃষ্টির মত (আরবি)-এর অর্থ হচ্ছে বৃষ্টিপাত ও বর্ষণ। কেউ কেউ এর অর্থ মেঘও বর্ণনা করেছেন। কিন্তু খুব প্রসিদ্ধ অর্থ হচ্ছে বৃষ্টি বা অন্ধকারে বর্ষে। (আরবি)-এর ভাবার্থ হচ্ছে সন্দেহ, কুফর ও নিফাক। (আরবি)-এর অর্থ হচ্ছে বজ্র, যা ভয়ংকর শব্দের দ্বারা অন্তর কাঁপিয়ে তোলে। মুনাফিকের অবস্থাও ঠিক এইরূপ। সব সময় তার মনে ভয়, সন্ত্রাস ও উদ্বেগ থাকে। যেমন কুরআন মজীদের এক জায়গায় আছেঃ (আরবি)অর্থাৎ প্রত্যেক শব্দকে তারা নিজেদের উপরই মনে করে থাকে।' (৬৩:৪) অন্যত্র আল্লাহ পাক বলেনঃ “এই মুনাফিকরা শপথ করে বলে থাকে যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা ভীত লোক, যদি তারা কোন আশ্রয়স্থল পথ পায় তবে নিশ্চয়ই কুঞ্চিত হয়ে সেখানেই প্রবেশ করবে। বিদ্যুতের সঙ্গে সেই ঈমানের আলোর তুলনা করা হয়েছে যা কখনও কখনও তাদের অন্তরে উজ্জ্বল হয়ে উঠে, সে সময়ে তারা মরণের ভয়ে তাদের অঙ্গুলিগুলো কানের মধ্যে ভরে দেয়, কিন্তু ওটা তাদের কোন উপকারে আসে। এরা আল্লাহ তাআলার ক্ষমতা ও ইচ্ছার অধীন রয়েছে। সুতরাং এরা বাঁচতে পারে না। আল্লাহ তাআলা এক জায়গায় বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কি ঐ সেনাবাহিনীর কাহিনী পৌঁছেছে, অর্থাৎ ফিরআউন ও সামূদের? বরং কাফিরেরা অবিশ্বাস করার মধ্যে রয়েছে। আর আল্লাহ তাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে রয়েছেন। বিদ্যুতের চক্ষুকে কেড়ে নেয়ার অর্থ হচ্ছে তার শক্তি ও কাঠিন্য এবং ঐ মুনাফিকদের দৃষ্টি শক্তিতে দুর্বলতার অর্থ হচ্ছে তাদের ঈমানের দুর্বলতা। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে তিনি বলেনঃ এর ভাবার্থ এই যে, কুরআন মাজীদের মজবুত আয়াতগুলো ঐ মুনাফিকদের প্রকৃত অবস্থা খুলে দেবে ও তাদের গোপনীয় দোষ প্রকাশ করবে এবং আপন ঔজ্জ্বল্যের দ্বারা তাদেরকে হতভম্ব করে দেবে। যখন তাদের উপর অন্ধকার ছেয়ে যায় তখন তারা দাড়িয়ে যায়, অর্থাৎ যখন তাদের ঈমান প্রকাশ পায় তখন তাদের অন্তর কিছু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং তারা এর অনুসরণ করতে থাকে। কিন্তু যেমনই সংশয় ও সন্দেহের উদ্রেক হয় তেমনই অন্তরের মধ্যে অন্ধকার ছেয়ে যায় এবং তখন সে হয়রান পেরেশান হয়ে যায়। এর ভাব এও হতে পারে যে, যখন ইসলামের কিছুটা উন্নতি সাধিত হয়, তখন তাদের মনে কিছুটা স্থিরতা আসে, কিন্তু যখনই ওর বিপরীত পরিলক্ষিত হয় তখনই তারা কুফরীর দিকে ফিরে যায়। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ কতকগুলো লোক এমনও আছে যারা প্রান্তে দাঁড়িয়ে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকে অতঃপর মঙ্গল পৌছলে স্থির থাকে এবং অমঙ্গল পৌছলে তৎক্ষণাৎ ফিরে যায়।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, তাদের আলোতে চলার অর্থ হচ্ছে সত্যকে জেনে ইসলামের কালেমা পাঠ করা এবং অন্ধকারে থেমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে কুফরীর দিকে ফিরে যাওয়া। আরও বহু মুফাসসিরেরও এটাই মত আর সবচেয়ে বেশী সঠিক ও স্পষ্টও হচ্ছে এটাই। আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। কিয়ামতের দিনেও তাদের এই অবস্থা হবে যে, যখন লোকদেরকে তাদের ঈমানের পরিমাপ অনুযায়ী আলো দেয়া হবে, কেউ পাবে বহু মাইল পর্যন্ত, কেউ কেউ তারও বেশী, কেউ তার চেয়ে কম, এমনকি শেষ পর্যন্ত কেউ এতটুকু পাবে যে, কখনও আলোকিত হবে এবং কখনও অন্ধকার। কিছু লোকে এমনও হবে যে, তারা একটু দূরে গিয়েই থেমে যাবে, আবার কিছু দূর পর্যন্ত আলো পাবে, আবার নিবে যাবে। আবার কতকগুলো এমন দুর্ভাগা লোকও হবে যে, তাদের আলো সম্পূর্ণ রূপে নিভে যাবে। এরাই হবে পূর্ণ মুনাফিক, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলার ফরমান রয়েছেঃ “যেদিন মুনাফিক নর ও নারী ঈমানদারগণকে ডাক দিয়ে বলবে-একটু থামো, আমাদেরকেও আসতে দাও যেন আমরাও তোমাদের আলো দ্বারা উপকৃত হই,তখন বলা হবে, তোমাদের পিছনে ফিরে যাও এবং আলো অনুসন্ধান কর।' মুমিন নারী ও পুরুষের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, সেইদিন তুমি মুমিন পুরুষ ও নারীর সামনে ও ডানে আলো দেখতে পাবে এবং তাদেরকে বলা হবে-আজকে তোমাদের জন্য বেহেশতের সুসংবাদ, যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হচ্ছে। আল্লাহ পাক আরও বলেনঃ “যেদিন আল্লাহ তা'আলা নবী (সঃ) কে, মুমিনগণকে অপমানিত করবেন না। তাদের সামনে ও ডানে আলো থাকবে এবং তারা বলতে থাকবে-হে আমাদের প্রভু! আমাদের আলো পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন! নিশ্চয়ই আপনি প্রত্যেক জিনিসের উপর ক্ষমতাবান। এই আয়াতসমূহের পর নিম্নের এ বিষয়ের হাদীসগুলিও উল্লেখযোগ্যঃ নবী (সঃ) বলেছেন, মুমিনদের কেউ কেউ মদীনা হতে আদন পর্যন্ত আলো পাবে। কেউ কেউ তার চেয়ে কম পাবে। এমনকি কেউ কেউ এত কম পাবে যে, শুধুমাত্র পা রাখার জায়গা পর্যন্ত আলোকিত হবে। তাফসীর-ই-ইবনে জারীর) হযরত আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ মুমিনগণকে তাদের আমলের পরিমাপ অনুযায়ী আলো দেয়া হবে। কেউ কেউ পাবে খেজুর গাছের সমান জায়গা ব্যাপী, কেউ পাবে হযরত আদমের (আঃ) পায়ের সমান স্থান ব্যাপী, কেউ কেউ শুধু এতটুকু পাবে যে, তার বৃদ্ধাঙ্গুলি মাত্র আলোকিত হবে কখনও জ্বলে উঠবে আবার কখনও নিবে যাবে। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)। হযরত আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, আমল অনুযায়ী তারা আলো পাবে, সেই আলোতে তারা পুলসিরাত অতিক্রম করবে। কোন কোন লোকের নূর পাহাড়ের সমান হবে, কারও হবে খেজুর গাছের সমান, আর সবচেয়ে ছোট নূর ঐ লোকটার হবে, যার শুধু বৃদ্ধাঙ্গুলির উপর নূর থাকবে। ওটা কখনও জ্বলে উঠবে এবং কখনও নিভে যাবে। (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, কিয়ামতের দিন সমস্ত একত্ববাদীকে নূর দেয়া হবে। যখন মুনাফিকদের নূর নিভে যাবে তখন একত্ববাদীরা ভয় পেয়ে বলবেঃ “ হে আল্লাহ! আমাদের নরকে পূর্ণ করে দিন। (মুসনাদ-ই- ইবনে আবি হাতিম)। যহহাক বিন মাযাহিমেরও (রঃ) এটাই মত। এ হাদীসসমূহ দ্বারা বুঝা যায় যে, কিয়ামতের দিন কয়েক প্রকারের লোক হবেঃ (১) খাটি মুমিন যাদের বর্ণনা পূর্বের চারটি আয়াতে হয়েছে। (২) আঁটি কাফির, যার বর্ণনা তার পরবর্তী দু'টি আয়াতে হয়েছে। (৩) মুনাফিক-এদের আবার দু'টি ভাগ আছে। প্রথম হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক যাদের উপমা আগুনের আলো দিয়ে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় হচ্ছে সেই মুনাফিক যারা সন্দেহের মধ্যে আছে। কখনও ঈমানের আলো জ্বলে, কখনও নিভে যায়। তাদের উপমা বৃষ্টির সঙ্গে দেয়া হয়েছে। এরা প্রথম প্রকারের মুনাফিক হতে কিছু কম দোষী। ঠিক এই ভাবেই সূরা-ই নূরের মধ্যেও আল্লাহ তা'আলা মুমিনের ও তার অন্তরের আলোর উপমা সেই উজ্জ্বল প্রদীপের সঙ্গে দিয়েছেন যা উজ্জ্বল চিমনীর মধ্যে থাকে এবং স্বয়ং চিমনিও উজ্জ্বল তারকার মত হয়। যেহেতু একেতো স্বয়ং ঈমানদারের অন্তর উজ্জ্বল, দ্বিতীয়তঃ খাটি শরীয়ত দিয়ে তাকে সাহায্য করা হয়েছে। সুতরাং এ হচ্ছে নূরের উপর নূর। এভাবেই অন্য স্থানে কাফেরদের উপমাও তিনি বর্ণনা করেছেন যারা মূর্খতা বশতঃ নিজেদেরকে অন্য কিছু একটা মনে করে, অথচ প্রকৃতপক্ষে তারা কিছুই নয়। তিনি বলেছেনঃ “ঐ কাফিরদের কার্যাবলীর দৃষ্টান্ত সেই মরীচিকার ন্যায় যাকে তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে। শেষ পর্যন্ত কাছে এসে দেখে, কিন্তু কিছুই পায় না। অন্যস্থানে ঐ কাফিরদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন যারা খাঁটি মূর্খতায় জড়িত হয়ে পড়েছে। বলছেন যে, তারা গভীর সমুদ্রের তলদেশের অন্ধকারের মত যে সমুদ্রে ঢেউ এর পর ঢেউ খেলছে আবার আকাশ মেঘে ঢাকা রয়েছে এবং অন্ধকার ছেয়ে গেছে, এমনকি নিজের হাত পর্যন্ত দেখা যায় না। আসল কথা এই যে, যার জন্যে আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে নূর থাকে না সে নুর পাবে কোথায়? সুতরাং কাফেরদেরও দুটি ভাগ হলো। প্রথম হলো ওরাই যারা অন্যদেরকে কুফরীর দিকে আহ্বান করে এবং দ্বিতীয় হচ্ছে যারা তাদেরকে অনুকরণ করে থাকে। যেমন সূরা-ই-হজ্জের প্রথমে রয়েছেঃ কতক লোকে এমন আছে যারা অজ্ঞানতা সত্ত্বেও আল্লাহ সম্বন্ধে ঝগড়া করে এবং প্রত্যেক দুষ্ট শয়তানের অনুকরণ করে থাকে। আর এক জায়গায় আছেঃ কতকগুলো লোক জ্ঞান, সঠিক পথ এবং উজ্জ্বল কিতাব ছাড়াই আল্লাহ সম্বন্ধে ঝগড়া করে থাকে। সূরাই ওয়াকিয়ার প্রথমে ও শেষে এবং সূরা-ই নিসার মধ্যে মুমিনদেরও দুই প্রকার বর্ণনা করা হয়েছে। তারা হচ্ছে সাবেকিন ও আসহাব-ই ইয়ামীন অর্থাৎ আল্লাহর নৈকট্য লাভকারী এবং পরহেযগার ও সৎ ব্যক্তিগণ। সুতরাং এ আয়াতসমূহ দ্বারা জানা গেল যে, মুমিনদের দু’টি দল-আল্লাহর নৈকট্য লাভকারী ও সৎ। কাফিরদেরও দু’টি দল-কুফরের দিকে আহ্বানকারী ও তাদের অনুসরণকারী। মুনাফিকদেরও দু'টি ভাগ-খাঁটি ও পাকা মুনাফিক এবং সেই মুনাফিক যাদের মধ্যে নিফাকের এক আধটি শাখা আছে।সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যার মধ্যে তিনটি অভ্যাস আছে সে পাকা মুনাফিক। আর যার মধ্যে একটি আছে তার মধ্যে নিফাকের একটি অভ্যাস আছে যে পর্যন্ত না সে তা পরিত্যাগ করে। (তিনটি অভ্যাস হচ্ছে কথা বলার সময় মিথ্যাবলা, অঙ্গীকার ভঙ্গ করা এবং গচ্ছিত দ্রব্য আত্মসাৎ করা)। এর দ্বারা সাব্যস্ত হলো যে, কখনও কখনও মানুষের মধ্যে নিফাকের কিছু অংশ থাকে। তা কার্য সম্বন্ধীয়ই হোক বা বিশ্বাস সম্বন্ধীয়ই থাকে। যেমন আয়াত ও হাদীস দ্বারা জানা গেল। পূর্ববর্তী একটি জামা'আত এবং উলামা-ই-কিরামের একটি দলেরও এটাই মাযহাব। এর বর্ণনা পূর্বে হয়ে গেছে এবং আগামীতে হবে ইনশাআল্লাহ।মুসনাদ-ই-আহমাদে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ‘অন্তর চার প্রকারঃ (১) সেই পরিষ্কার অন্তর যা উজ্জ্বল প্রদীপের মত ঝলমল করে। (২) ঐ অন্তর যা পর্দায় ঢাকা থাকে। (৩) উল্টো অন্তর এবং (৪) মিশ্রিত অন্তর। প্রথমটি হচ্ছে মুমিনের অন্তর যা পূর্ণভাবে উজ্জ্বল। দ্বিতীয়টা কাফিরের অন্তর যার উপর পর্দা পড়ে রয়েছে। তৃতীয়টি খাঁটি মুনাফিকের অন্তর যা জেনে শুনে অস্বীকার করে এবং ৪র্থটি হচ্ছে মুনাফিকের অন্তর যার মধ্যে ঈমান ও নিফাক। এ দুটোর সংমিশ্রণ রয়েছে। ঈমানের দৃষ্টান্ত সেই সবুজ উদ্ভিদের মত যা নির্মল পানি দ্বারা বেড়ে ওঠে। নিফাকের উপমা ঐ ফোড়ার ন্যায় যার মধ্যে রক্ত ও পুঁজ বাড়তে থাকে। এখন যে মূল বেড়ে যায়, তার প্রভাব অন্যের উপর পড়ে থাকে। এই হাদীসটি সনদ হিসেবে খুবই মজবুত।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ “আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের কান ও চক্ষু ধ্বংস করে দেবেন। ভাবার্থ এই যে, তারা যখন সত্যকে জেনে ছেড়ে দিয়েছে, তাহলে তাদের জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক জিনিসের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। অর্থাৎ তিনি ইচ্ছে করলে শাস্তি দেবেন বা ক্ষমা করে দেবেন।এখানে আল্লাহ তা'আলা মুনাফিকদেরকে তার শাস্তি ও মহা শক্তির ভয় দেখাবার জন্যেই কাদীর' শব্দ ব্যবহার করেছেন। এখানে (আরবি)-এর অর্থে (আরবি)শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন (আরবি)-এর অর্থে (আরবি)শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইমাম ইবনে জারীর বলেন যে, এই দু’টি উদাহরণ হচ্ছে একই প্রকারের মুনাফিকের জন্যে (আরবি) এখানে (আরবি)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ ‘এবং অর্থে। যেমন আল্লাহ পাক বলেছেনঃ (আরবি)অর্থাৎ তাদের অন্তর্গত কোন ফাসিক ও কাফির ব্যক্তির অনুসরণ করো না। (৭৬:২৪) কিংবা (আরবি) শব্দটি ইখতিয়ার’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ এই দৃষ্টান্ত বর্ণনা কর অথবা ঐ দৃষ্টান্ত বর্ণনা কর। কুরতুবী (রঃ) বলেন যে, (আরবি)এখানে সমান অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন আরবী বাক পদ্ধতি আছেঃ (আরবি)যামাখশারী (রঃ) এই ব্যাখ্যাই দিয়েছেন। তাহলে অর্থ হবে যে, দৃষ্টান্তসমূহের মধ্যে যা চাও তাই বর্ণনা কর, দুটোই তাদের অবস্থার অনুরূপ হবে। কিন্তু আমাদের ধারণা এই যে, এটা মুনাফিকদের শ্রেণী হিসেবে এসেছে, তাদের অবস্থা ও বিশেষণ বিভিন্ন প্রকারের। যেমন সূরা-ই-বারাআতের মধ্যে (আরবি) এবং (আরবি) করে করে তাদের অনেক শ্রেণী অনেক কাজ এবং অনেক কথার বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দুটি দৃষ্টান্ত হচ্ছে দু’প্রকার মুনাফিকের যা তাদের অবস্থা ও গুণাবলীর সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন সূরা-ই-নূরের মধ্যে দুই প্রকারের কাফিরের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা হয়েছে। প্রথম প্রকার হচ্ছে কুফরীর দিকে আহ্বানকারী এবং দ্বিতীয় প্রকার হচ্ছে তাদের অনুসরণকারী। আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে বেশী জানেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Read, Listen, Search, and Reflect on the Quran

Quran.com is a trusted platform used by millions worldwide to read, search, listen to, and reflect on the Quran in multiple languages. It provides translations, tafsir, recitations, word-by-word translation, and tools for deeper study, making the Quran accessible to everyone.

As a Sadaqah Jariyah, Quran.com is dedicated to helping people connect deeply with the Quran. Supported by Quran.Foundation, a 501(c)(3) non-profit organization, Quran.com continues to grow as a free and valuable resource for all, Alhamdulillah.

Navigate
Home
Quran Radio
Reciters
About Us
Developers
Product Updates
Feedback
Help
Our Projects
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Non-profit projects owned, managed, or sponsored by Quran.Foundation
Popular Links

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

SitemapPrivacyTerms and Conditions
© 2026 Quran.com. All Rights Reserved