প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
ভাষা নির্বাচন কর
English
العربية
বাংলা
فارسی
Français
Indonesia
Italiano
Dutch
Português
русский
Shqip
ภาษาไทย
Türkçe
اردو
简体中文
Melayu
Español
Kiswahili
Tiếng Việt
অনুবাদ
৩৮:৪৯
هاذا ذكر وان للمتقين لحسن ماب ٤٩
هَـٰذَا ذِكْرٌۭ ۚ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَـَٔابٍۢ ٤٩
هٰذَا
ذِكْرٌ ؕ
وَاِنَّ
لِلْمُتَّقِیْنَ
لَحُسْنَ
مَاٰبٍ
۟ۙ
এ হচ্ছে স্মৃতিচারণ, মুত্তাক্বীদের জন্য অবশ্যই আছে উত্তম প্রত্যাবর্তন স্থল।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫০
جنات عدن مفتحة لهم الابواب ٥٠
جَنَّـٰتِ عَدْنٍۢ مُّفَتَّحَةًۭ لَّهُمُ ٱلْأَبْوَٰبُ ٥٠
جَنّٰتِ
عَدْنٍ
مُّفَتَّحَةً
لَّهُمُ
الْاَبْوَابُ
۟ۚ
চিরস্থায়ী জান্নাত, তাদের জন্য উন্মুক্ত দ্বার।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫১
متكيين فيها يدعون فيها بفاكهة كثيرة وشراب ٥١
مُتَّكِـِٔينَ فِيهَا يَدْعُونَ فِيهَا بِفَـٰكِهَةٍۢ كَثِيرَةٍۢ وَشَرَابٍۢ ٥١
مُتَّكِـِٕیْنَ
فِیْهَا
یَدْعُوْنَ
فِیْهَا
بِفَاكِهَةٍ
كَثِیْرَةٍ
وَّشَرَابٍ
۟
সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে, চাইবে প্রচুর ফলমূল আর পানীয়।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫২
۞ وعندهم قاصرات الطرف اتراب ٥٢
۞ وَعِندَهُمْ قَـٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ أَتْرَابٌ ٥٢
وَعِنْدَهُمْ
قٰصِرٰتُ
الطَّرْفِ
اَتْرَابٌ
۟
আর তাদের পাশে থাকবে সতীসাধ্বী সংযতনয়না সমবয়স্কা রমণীগণ।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৩
هاذا ما توعدون ليوم الحساب ٥٣
هَـٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ ٥٣
هٰذَا
مَا
تُوْعَدُوْنَ
لِیَوْمِ
الْحِسَابِ
۟
এসব হল যা তোমাদেরকে হিসাবের দিনে দেয়ার ওয়া‘দা দেয়া হচ্ছে।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৪
ان هاذا لرزقنا ما له من نفاد ٥٤
إِنَّ هَـٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُۥ مِن نَّفَادٍ ٥٤
اِنَّ
هٰذَا
لَرِزْقُنَا
مَا
لَهٗ
مِنْ
نَّفَادٍ
۟ۚۖ
এ হল আমার দেয়া রিযক- যা কক্ষনো ফুরাবে না।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৫
هاذا وان للطاغين لشر ماب ٥٥
هَـٰذَا ۚ وَإِنَّ لِلطَّـٰغِينَ لَشَرَّ مَـَٔابٍۢ ٥٥
هٰذَا ؕ
وَاِنَّ
لِلطّٰغِیْنَ
لَشَرَّ
مَاٰبٍ
۟ۙ
সত্য বটে, এ সব (মুত্তাক্বীদের জন্য); আর আল্লাহদ্রোহীদের জন্য অবশ্যই আছে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৬
جهنم يصلونها فبيس المهاد ٥٦
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا فَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ ٥٦
جَهَنَّمَ ۚ
یَصْلَوْنَهَا ۚ
فَبِئْسَ
الْمِهَادُ
۟
জাহান্নাম, সেখানে তারা জ্বলবে, কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৭
هاذا فليذوقوه حميم وغساق ٥٧
هَـٰذَا فَلْيَذُوقُوهُ حَمِيمٌۭ وَغَسَّاقٌۭ ٥٧
هٰذَا ۙ
فَلْیَذُوْقُوْهُ
حَمِیْمٌ
وَّغَسَّاقٌ
۟ۙ
সত্য বটে, এসব (আল্লাহদ্রোহীদের জন্য), কাজেই সেখানে তারা পান করুক ফুটন্ত পানি ও রক্ত পুঁজ।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৮
واخر من شكله ازواج ٥٨
وَءَاخَرُ مِن شَكْلِهِۦٓ أَزْوَٰجٌ ٥٨
وَّاٰخَرُ
مِنْ
شَكْلِهٖۤ
اَزْوَاجٌ
۟ؕ
এ ধরনের আরো অন্যান্য (শাস্তি) যা তাদের জন্য যথোপযুক্ত।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৫৯
هاذا فوج مقتحم معكم لا مرحبا بهم انهم صالو النار ٥٩
هَـٰذَا فَوْجٌۭ مُّقْتَحِمٌۭ مَّعَكُمْ ۖ لَا مَرْحَبًۢا بِهِمْ ۚ إِنَّهُمْ صَالُوا۟ ٱلنَّارِ ٥٩
هٰذَا
فَوْجٌ
مُّقْتَحِمٌ
مَّعَكُمْ ۚ
لَا
مَرْحَبًا
بِهِمْ ؕ
اِنَّهُمْ
صَالُوا
النَّارِ
۟
(নিজেদের একদল অনুসারীকে জাহান্নামের দিকে আসতে দেখে জাহান্নামীরা বলাবলি করবে) এই তো এক বাহিনী তোমাদের সঙ্গে এসে প্রবেশ করছে। তাদের জন্য নেই কোন সংবর্ধনা, তারা আগুনে জ্বলবে।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৬০
قالوا بل انتم لا مرحبا بكم انتم قدمتموه لنا فبيس القرار ٦٠
قَالُوا۟ بَلْ أَنتُمْ لَا مَرْحَبًۢا بِكُمْ ۖ أَنتُمْ قَدَّمْتُمُوهُ لَنَا ۖ فَبِئْسَ ٱلْقَرَارُ ٦٠
قَالُوْا
بَلْ
اَنْتُمْ ۫
لَا
مَرْحَبًا
بِكُمْ ؕ
اَنْتُمْ
قَدَّمْتُمُوْهُ
لَنَا ۚ
فَبِئْسَ
الْقَرَارُ
۟
অনুসারীরা বলবে- না, বরং তোমরাই (জ্বলে মর), তোমাদের জন্যও নেই কোন অভিনন্দন। আমাদের জন্য এ ব্যবস্থা আগে তোমরাই করে দিয়েছ। কতই না নিকৃষ্ট এই আবাসস্থল!
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৬১
قالوا ربنا من قدم لنا هاذا فزده عذابا ضعفا في النار ٦١
قَالُوا۟ رَبَّنَا مَن قَدَّمَ لَنَا هَـٰذَا فَزِدْهُ عَذَابًۭا ضِعْفًۭا فِى ٱلنَّارِ ٦١
قَالُوْا
رَبَّنَا
مَنْ
قَدَّمَ
لَنَا
هٰذَا
فَزِدْهُ
عَذَابًا
ضِعْفًا
فِی
النَّارِ
۟
তারা বলবে- হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য যে এ ব্যবস্থা এনে দিয়েছে তাকে জাহান্নামে দ্বিগুণ শাস্তি দাও।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৬২
وقالوا ما لنا لا نرى رجالا كنا نعدهم من الاشرار ٦٢
وَقَالُوا۟ مَا لَنَا لَا نَرَىٰ رِجَالًۭا كُنَّا نَعُدُّهُم مِّنَ ٱلْأَشْرَارِ ٦٢
وَقَالُوْا
مَا
لَنَا
لَا
نَرٰی
رِجَالًا
كُنَّا
نَعُدُّهُمْ
مِّنَ
الْاَشْرَارِ
۟ؕ
তারা বলবে- ব্যাপার কী! আমরা যে লোকগুলোকে (দুনিয়ায়) খুব খারাপ বলে গণ্য করতাম তাদেরকে তো দেখছি না।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৬৩
اتخذناهم سخريا ام زاغت عنهم الابصار ٦٣
أَتَّخَذْنَـٰهُمْ سِخْرِيًّا أَمْ زَاغَتْ عَنْهُمُ ٱلْأَبْصَـٰرُ ٦٣
اَتَّخَذْنٰهُمْ
سِخْرِیًّا
اَمْ
زَاغَتْ
عَنْهُمُ
الْاَبْصَارُ
۟
আমরা কি তাদের সঙ্গে অযথাই ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতাম, না তাদের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভ্রম ঘটেছে? (অর্থাৎ তারা হয়ত জাহান্নামেই আছে কিন্তু আমাদের চোখ তাদেরকে দেখতে পাচ্ছে না)
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৬৪
ان ذالك لحق تخاصم اهل النار ٦٤
إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقٌّۭ تَخَاصُمُ أَهْلِ ٱلنَّارِ ٦٤
اِنَّ
ذٰلِكَ
لَحَقٌّ
تَخَاصُمُ
اَهْلِ
النَّارِ
۟۠
এটা নিশ্চিত সত্য, জাহান্নামের বাসিন্দাদের এই বাগবিতন্ডা।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
৩৮:৪৯
هاذا ذكر وان للمتقين لحسن ماب ٤٩
هَـٰذَا ذِكْرٌۭ ۚ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَـَٔابٍۢ ٤٩
هٰذَا
ذِكْرٌ ؕ
وَاِنَّ
لِلْمُتَّقِیْنَ
لَحُسْنَ
مَاٰبٍ
۟ۙ
এ হচ্ছে স্মৃতিচারণ, মুত্তাক্বীদের জন্য অবশ্যই আছে উত্তম প্রত্যাবর্তন স্থল।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন