৮৯.তাদের কাছে যা আছে, তার সমর্থক কিতাব যখন আল্লাহর নিকট থেকে আসল, যদিও পূর্বে কাফিরদের বিরুদ্ধে তারা এর সাহায্যে বিজয় প্রার্থনা করত, আর সেটাকে তারা চিনতেও পারল, তবুও যখন তা তাদের নিকট আসল, তখন তারা তা অবিশ্বাস করল; সুতরাং অবিশ্বাসকারীদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত। ৯০.তা কতই না নিকৃষ্ট যার বিনিময়ে তারা নিজেদের আত্মাকে বিক্রি করেছে, তা এই যে, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, জিদের বশে তারা তা প্রত্যাখ্যান করত শুধু এজন্য যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাহদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছে অনুগ্রহ করেন, অতএব তারা ক্রোধের উপর ক্রোধের পাত্র হল এবং কাফিরদের জন্যই লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। ৯১.আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তাতে ঈমান আন’; তারা বলে, ‘আমাদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে আমরা বিশ্বাস করি’। অথচ পরবর্তী কিতাবকে (কুরআনকে) তারা প্রত্যাখ্যান করে, যদিও তা সত্য এবং যা তাদের নিকট আছে তার সমর্থক। বল, ‘যদি তোমরা বিশ্বাসী ছিলে তবে কেন তোমরা পূর্বে নাবীদেরকে হত্যা করেছিলে’? ৯২.এবং নিশ্চয়ই মূসা তোমাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণসহ এসেছে, তারপরেও তোমরা যালিম সেজে গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিলে। ৯৩.স্মরণ কর, যখন তোমাদের শপথ নিয়েছিলাম এবং তূর পর্বতকে তোমাদের ঊর্ধ্বে তুলেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘যা দিলাম তা দৃঢ়রূপে ধারণ কর এবং শ্রবণ কর’। তারা বলেছিল, আমরা শুনলাম ও অমান্য করলাম। কুফুরীর কারণে তাদের অন্তরে গো-বৎস-প্রীতি শিকড় গেড়ে বসেছিল। বল, ‘যদি তোমরা বিশ্বাসী হও, তবে তোমাদের বিশ্বাস যার নির্দেশ দেয়, তা কতই না নিকৃষ্ট’! ৯৪.বল, ‘যদি আল্লাহর নিকট পরকালের বাসস্থান অন্যলোক ছাড়া কেবলমাত্র তোমাদের জন্যই হয়, তাহলে তোমরা মৃত্যু কামনা কর, যদি সত্যবাদী হয়ে থাক’। ৯৫.কিন্তু তাদের কৃতকর্মের জন্য তারা কক্ষনো তা কামনা করবে না এবং আল্লাহ যালিমদের সম্পর্কে খুবই অবহিত। ৯৬.অবশ্যই তুমি তাদেরকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে সকল মানুষ এমনকি মুশরিক অপেক্ষাও অধিক লোভী দেখতে পাবে, তাদের প্রত্যেকেই আকাঙ্ক্ষা করে যদি হাজার বছর আয়ু দেয়া হত, কিন্তু দীর্ঘায়ু তাদেরকে শাস্তি হতে রেহাই দিতে পারবে না, তারা যা করে, আল্লাহ তার দ্রষ্টা।