প্রবেশ কর
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
ভাষা নির্বাচন কর
৬০:১০
يا ايها الذين امنوا اذا جاءكم المومنات مهاجرات فامتحنوهن الله اعلم بايمانهن فان علمتموهن مومنات فلا ترجعوهن الى الكفار لا هن حل لهم ولا هم يحلون لهن واتوهم ما انفقوا ولا جناح عليكم ان تنكحوهن اذا اتيتموهن اجورهن ولا تمسكوا بعصم الكوافر واسالوا ما انفقتم وليسالوا ما انفقوا ذالكم حكم الله يحكم بينكم والله عليم حكيم ١٠
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا جَآءَكُمُ ٱلْمُؤْمِنَـٰتُ مُهَـٰجِرَٰتٍۢ فَٱمْتَحِنُوهُنَّ ۖ ٱللَّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَـٰنِهِنَّ ۖ فَإِنْ عَلِمْتُمُوهُنَّ مُؤْمِنَـٰتٍۢ فَلَا تَرْجِعُوهُنَّ إِلَى ٱلْكُفَّارِ ۖ لَا هُنَّ حِلٌّۭ لَّهُمْ وَلَا هُمْ يَحِلُّونَ لَهُنَّ ۖ وَءَاتُوهُم مَّآ أَنفَقُوا۟ ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ أَن تَنكِحُوهُنَّ إِذَآ ءَاتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ ۚ وَلَا تُمْسِكُوا۟ بِعِصَمِ ٱلْكَوَافِرِ وَسْـَٔلُوا۟ مَآ أَنفَقْتُمْ وَلْيَسْـَٔلُوا۟ مَآ أَنفَقُوا۟ ۚ ذَٰلِكُمْ حُكْمُ ٱللَّهِ ۖ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ ۚ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌۭ ١٠
يٰۤاَيُّهَا
الَّذِيۡنَ
اٰمَنُوۡۤا
اِذَا
جَآءَكُمُ
الۡمُؤۡمِنٰتُ
مُهٰجِرٰتٍ
فَامۡتَحِنُوۡهُنَّ​ ؕ
اَللّٰهُ
اَعۡلَمُ
بِاِيۡمَانِهِنَّ​ ۚ
فَاِنۡ
عَلِمۡتُمُوۡهُنَّ
مُؤۡمِنٰتٍ
فَلَا
تَرۡجِعُوۡهُنَّ
اِلَى
الۡكُفَّارِ​ ؕ
لَا
هُنَّ
حِلٌّ
لَّهُمۡ
وَلَا
هُمۡ
يَحِلُّوۡنَ
لَهُنَّ​ ۚ
وَاٰ تُوۡهُمۡ
مَّاۤ
اَنۡفَقُوۡا​ ؕ
وَلَا
جُنَاحَ
عَلَيۡكُمۡ
اَنۡ
تَنۡكِحُوۡهُنَّ
اِذَاۤ
اٰ تَيۡتُمُوۡهُنَّ
اُجُوۡرَهُنَّ​ ؕ
وَلَا
تُمۡسِكُوۡا
بِعِصَمِ
الۡكَوَافِرِ
وَسۡــَٔـلُوۡا
مَاۤ
اَنۡفَقۡتُمۡ
وَلۡيَسۡــَٔـلُوۡا
مَاۤ
اَنۡفَقُوۡا​ ؕ
ذٰ لِكُمۡ
حُكۡمُ
اللّٰهِ​ ؕ
يَحۡكُمُ
بَيۡنَكُمۡ​ ؕ
وَاللّٰهُ
عَلِيۡمٌ
حَكِيۡمٌ‏ 
١٠
হে মু’মিনগণ! ঈমানদার নারীরা যখন তোমাদের কাছে হিজরাত করে আসে তখন তাদেরকে পরখ করে দেখ (তারা সত্যিই ঈমান এনেছে কি না)। তাদের ঈমান সম্বন্ধে আল্লাহ খুব ভালভাবেই জানেন। অতঃপর তোমরা যদি জানতে পার যে, তারা মু’মিনা, তাহলে তাদেরকে কাফিরদের কাছে ফেরত পাঠিও না। মু’মিনা নারীরা কাফিরদের জন্য হালাল নয়, আর কাফিররাও মু’মিনা নারীদের জন্য হালাল নয়। কাফির স্বামীরা (মোহর স্বরূপ) যা তাদের জন্য খরচ করেছিল তা কাফিরদেরকে ফেরত দিয়ে দাও। অতঃপর তোমরা তাদেরকে মোহর প্রদান করতঃ বিয়ে করলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ হবে না। তোমরা কাফির নারীদেরকে (বিবাহের) বন্ধনে আটকে রেখ না। তোমরা (তাদের মোহর স্বরূপ) যা ব্যয় করেছ তা ফেরত চেয়ে নাও, আর কাফিররাও ফেরত চেয়ে নিবে যা তারা ব্যয় করেছে (তাদের মু’মিনা স্ত্রীদের মোহর স্বরূপ)। এটা আল্লাহর নির্দেশ। তিনি তোমাদের মাঝে ফয়সালা করে দেন। আল্লাহ সর্ব জ্ঞানের অধিকারী, মহা বিজ্ঞানী।
তাফসির
স্তরসমূহ
পাঠ
প্রতিফলন
উত্তর
কিরাত
হাদিস

হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের নিকট বিশ্বাসী নারীরা দেশত্যাগ করে আসলে, তোমরা তাদেরকে পরীক্ষা কর। [১] আল্লাহ তাদের ঈমান (বিশ্বাস) সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা বিশ্বাসীনী,[২] তবে তাদেরকে অবিশ্বাসীদের নিকট ফেরত পাঠিয়ে দিয়ো না। বিশ্বাসী নারীরা অবিশ্বাসীদের জন্য বৈধ নয় এবং অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসী নারীদের জন্য বৈধ নয়।[৩] অবিশ্বাসীরা যা ব্যয় করেছে, তা তাদেরকে ফিরিয়ে দাও।[৪] অতঃপর তোমরা তাদেরকে বিবাহ করলে তোমাদের কোন অপরাধ হবে না;[৫] যদি তোমরা তাদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও। তোমরা অবিশ্বাসী নারীদের সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখো না।[৬] তোমরা যা ব্যয় করেছ,[৭] তা ফেরত চেয়ে নাও এবং অবিশ্বাসীরা ফেরত চেয়ে নিক, যা তারা ব্যয় করেছে।[৮] এটাই আল্লাহর ফায়সালা। তিনি তোমাদের মধ্যে ফায়সালা করছেন।[৯] আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

[১] হুদাইবিয়ার সন্ধিপত্রে একটি শর্ত এও ছিল যে, মক্কা থেকে কোন ব্যক্তি মুসলিমদের নিকট চলে গেলে তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু তাতে পুরুষ বা মহিলা বলে স্পষ্ট কিছু উল্লেখ ছিল না। তবে বাহ্যিকভাবে (أَحَدٌ) এর মধ্যে উভয়েই শামিল। কিছু দিন পর কোন কোন মহিলা মক্কা থেকে হিজরত করে মুসলমানদের কাছে চলে গেলে কাফেররা তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী করে। ফলে এই আয়াতে মহান আল্লাহ মুসলমানদের পথ প্রদর্শন করলেন এবং এই নির্দেশ দিলেন। পরীক্ষা করার অর্থ, এ ব্যাপারে যাচাই করে নাও যে, হিজরত করে আগমনকারিণী যে মহিলারা ঈমান আনার কথা প্রকাশ করছে, তারা তাদের স্বামীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে অথবা কোন মুসলিমের প্রেমে পড়ে কিংবা অন্য কোন স্বার্থের কারণে তো চলে আসেনি? কেবল আশ্রয় গ্রহণের জন্য ঈমান আনার দাবী করছে না তো?

[২] অর্থাৎ, যাচাই করার পর যখন তোমরা এই ফলাফলে পৌঁছবে এবং প্রবল ধারণা এই সৃষ্টি হবে যে, বাস্তবিকই এ মু'মিনা।

[৩] এটা হল তাদেরকে তাদের কাফের স্বামীদের নিকট ফিরিয়ে না পাঠানোর কারণ। আর তা হল, এখন আর কোন মু'মিন মহিলা কোন কাফেরের জন্য হালাল নয়, যেমন ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে এটা জায়েয ছিল। তাই তো নবী করীম (সাঃ)-এর কন্যা যায়নাব (রায্বিয়াল্লাহু আনহার) বিবাহ আবূল আ'স ইবনে রাবী'র সাথে হয়েছিল, অথচ সে মুসলিম ছিল না। আয়াতে আগামীতে এ রকম করতে নিষেধ করা হল। আর এই কারণেই এখানে বলা হল যে, তারা একে অপরের জন্য হালাল নয়। সুতরাং তাদেরকে কাফেরদের কাছে ফিরিয়ে দিও না। হ্যাঁ, স্বামীও যদি মুসলিম হয়ে যায়, তবে তাদের বিবাহ বন্ধন প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারে, যদিও স্বামী তার স্ত্রীর পরে (ইদ্দতের মধ্যে) হিজরত করে আসে।

[৪] অর্থাৎ, তাদের কাফের স্বামীরা তাদেরকে যে মোহর দিয়েছিল, তা তোমরা তাদেরকে ফিরিয়ে দাও।

[৫] এ কথা মুসলিমদেরকে বলা হচ্ছে যে, যে নারীরা ঈমানের কারণে তাদের কাফের স্বামীদেরকে ত্যাগ করে তোমাদের কাছে এসে গেছে, তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে পার। তবে শর্ত হল, তাদের প্রাপ্য মোহর তাদেরকে দিয়ে দেবে। তবে এ বিয়েও যথানিয়মে হবে। অর্থাৎ, প্রথমতঃ ইদ্দত পূরণ হওয়ার পর হবে। দ্বিতীয়তঃ এতে অভিভাবকের সম্মতি ও অনুমতি ও দু'জন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতিও আবশ্যক। অবশ্য যে মহিলার সাথে তার স্বামীর কোন সম্পর্ক (মিলন) হয়নি, তার সাথে ইদ্দত ছাড়াই সত্বর বিবাহ জায়েয।

[৬] عِصَمٌ হল, عِصْمَةٌ এর বহুবচন। এখানে এর অর্থ, দাম্পত্য সম্পর্ক। অর্থাৎ, যদি স্বামী মুসলিম হয়ে যায় এবং স্ত্রী কাফের ও মুশরিক রয়ে যায়, তাহলে এ রকম মুশরিক মহিলাকে স্বীয় বিবাহ বন্ধনে রাখা বৈধ নয়। স্বামী তাকে সত্বর তালাক দিয়ে নিজের কাছ থেকে পৃথক করে দেবে। সুতরাং এই নির্দেশের পর উমার (রাঃ) তাঁর দু'জন মুশরিক স্ত্রীকে এবং ত্বালহা ইবনে উবায়দুল্লাহও তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেন। (ইবনে কাসীর) তবে স্ত্রী যদি কিতাবিয়া (ইয়াহুদী বা খ্রিষ্টান) হয়, তাহলে তাকে তালাক দেওয়া জরুরী নয়। কেননা, তাদের সাথে বিবাহ বৈধ। কাজেই সে (ইয়াহুদী বা খ্রিষ্টান স্ত্রী) যদি প্রথম থেকেই স্ত্রীরূপে স্বামীর কাছে থেকে থাকে, তবে ইসলাম কবুল করার পর তাকে বিচ্ছিন্ন করার কোন প্রয়োজন নেই।

[৭] অর্থাৎ, সেই মহিলাদের উপর, যারা কুফরীতে অবিচল থাকার কারণে কাফেরদের নিকট চলে গেছে।

[৮] অর্থাৎ, সেই মহিলাদের উপর, যারা মুসলিম হয়ে হিজরত করে মদীনায় চলে এসেছে।

[৯] অর্থাৎ, উভয়েরই একে অপরকে মোহরের পাওনা আদায় করার, বরং চেয়ে নেওয়ার উল্লিখিত বিধান হল আল্লাহর বিধান। ইমাম ক্বুরত্বুবী বলেন, এ বিধান সেই যুগের সাথেই সীমাবদ্ধ ছিল। এ ব্যাপারে সকল মুসলিমের ঐকমত্য রয়েছে। (ফাতহুল ক্বাদীর) আর এর কারণ হল সেই চুক্তি, যা সেই সময় উভয় দলের মাঝে হয়েছিল। এই ধরনের চুক্তির পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ভবিষ্যতেও উক্ত বিধানের উপর আমল করা জরুরী হবে। অন্যথা হবে না।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
কুরআন পড়ুন, শুনুন, অনুসন্ধান করুন এবং চিন্তা করুন

Quran.com হল একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম যা বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কুরআন পড়তে, অনুসন্ধান করতে, শুনতে এবং তার উপর চিন্তাভাবনা করার জন্য ব্যবহার করে। এটি অনুবাদ, তাফসির, তেলাওয়াত, শব্দে শব্দ অনুবাদ এবং গভীর অধ্যয়নের জন্য সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যা সকলের কাছে কুরআনকে সহজলভ্য করে তোলে।

সাদাকাহ জারিয়াহ হিসেবে, Quran.com মানুষকে কুরআনের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। Quran.Foundation দ্বারা সমর্থিত, একটি 501(c)(3) অলাভজনক সংস্থা, Quran.com সকলের জন্য একটি বিনামূল্যের এবং মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বেড়ে চলেছে, আলহামদুলিল্লাহ.

নেভিগেট করুন
বাড়ি
কোরআন রেডিও
আবৃত্তিকারী
আমাদের সম্পর্কে
বিকাশকারীরা
পণ্য আপডেট
প্রতিক্রিয়া
সাহায্য
আমাদের প্রকল্পগুলি
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation এর মালিকানাধীন, পরিচালিত, অথবা স্পন্সরকৃত অলাভজনক প্রকল্প।
জনপ্রিয় লিঙ্ক

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

সাইটম্যাপগোপনীয়তাশর্তাবলী
© ২০২৬ Quran.com. সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত