فَخَلَفَ
مِنْ
بَعْدِهِمْ
خَلْفٌ
وَّرِثُوا
الْكِتٰبَ
یَاْخُذُوْنَ
عَرَضَ
هٰذَا
الْاَدْنٰی
وَیَقُوْلُوْنَ
سَیُغْفَرُ
لَنَا ۚ
وَاِنْ
یَّاْتِهِمْ
عَرَضٌ
مِّثْلُهٗ
یَاْخُذُوْهُ ؕ
اَلَمْ
یُؤْخَذْ
عَلَیْهِمْ
مِّیْثَاقُ
الْكِتٰبِ
اَنْ
لَّا
یَقُوْلُوْا
عَلَی
اللّٰهِ
اِلَّا
الْحَقَّ
وَدَرَسُوْا
مَا
فِیْهِ ؕ
وَالدَّارُ
الْاٰخِرَةُ
خَیْرٌ
لِّلَّذِیْنَ
یَتَّقُوْنَ ؕ
اَفَلَا
تَعْقِلُوْنَ
۟
তাদের পরে (পাপিষ্ঠ) বংশধরগণ তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কিতাবের উত্তরাধিকারী হয় যারা দুনিয়ার নিকৃষ্ট স্বার্থ গ্রহণ করে আর বলে, ‘(আমরা যা কিছুই করি না কেন) আমাদেরকে ক্ষমা করা হবে’। আর দুনিয়ার স্বার্থ তাদের সামনে আসলে আবার তা গ্রহণ করে নেয়। (তাওরাত) কিতাবে কি তাদের নিকট থেকে এ অঙ্গীকার নেয়া হয়নি যে তারা আল্লাহ সম্বন্ধে প্রকৃত সত্য ছাড়া বলবে না? তারা তো ঐ কিতাবে যা আছে তা পাঠ করেও থাকে। যারা তাক্বওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য পরকালের আবাসই উত্তম, তোমরা কি বুঝবে না?
তাফসীর পড়ুন
Tafsir Ahsanul Bayaan
অতঃপর অযোগ্য উত্তরপুরুষরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়,[১] তারা কিতাবের (ঐশীগ্রন্থের)ও উত্তরাধিকারী হয়। তারা এ তুচ্ছ (অবৈধ পার্থিব) সামগ্রী গ্রহণ করে[২] এবং বলে, ‘আমাদেরকে ক্ষমা করা হবে।’[৩] কিন্তু ওর অনুরূপ সামগ্রী তাদের নিকট এলে সেটিকেও তারা গ্রহণ করে। কিতাবের অঙ্গীকার কি তাদের নিকট হতে নেওয়া হয়নি যে, তা
…অতঃপর অযোগ্য উত্তরপুরুষরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়,[১] তারা কিতাবের (ঐশীগ্রন্থের)ও উত্তরাধিকারী হয়। তারা এ তুচ্ছ (অবৈধ পার্থিব) সামগ্রী গ্রহণ করে[২] এবং
…