Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: At-Tawbah 9:111

9:111
۞ ان الله اشترى من المومنين انفسهم واموالهم بان لهم الجنة يقاتلون في سبيل الله فيقتلون ويقتلون وعدا عليه حقا في التوراة والانجيل والقران ومن اوفى بعهده من الله فاستبشروا ببيعكم الذي بايعتم به وذالك هو الفوز العظيم ١١١
۞ إِنَّ ٱللَّهَ ٱشْتَرَىٰ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ أَنفُسَهُمْ وَأَمْوَٰلَهُم بِأَنَّ لَهُمُ ٱلْجَنَّةَ ۚ يُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ ۖ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّۭا فِى ٱلتَّوْرَىٰةِ وَٱلْإِنجِيلِ وَٱلْقُرْءَانِ ۚ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِۦ مِنَ ٱللَّهِ ۚ فَٱسْتَبْشِرُوا۟ بِبَيْعِكُمُ ٱلَّذِى بَايَعْتُم بِهِۦ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ١١١
۞ إِنَّ
ٱللَّهَ
ٱشۡتَرَىٰ
مِنَ
ٱلۡمُؤۡمِنِينَ
أَنفُسَهُمۡ
وَأَمۡوَٰلَهُم
بِأَنَّ
لَهُمُ
ٱلۡجَنَّةَۚ
يُقَٰتِلُونَ
فِي
سَبِيلِ
ٱللَّهِ
فَيَقۡتُلُونَ
وَيُقۡتَلُونَۖ
وَعۡدًا
عَلَيۡهِ
حَقّٗا
فِي
ٱلتَّوۡرَىٰةِ
وَٱلۡإِنجِيلِ
وَٱلۡقُرۡءَانِۚ
وَمَنۡ
أَوۡفَىٰ
بِعَهۡدِهِۦ
مِنَ
ٱللَّهِۚ
فَٱسۡتَبۡشِرُواْ
بِبَيۡعِكُمُ
ٱلَّذِي
بَايَعۡتُم
بِهِۦۚ
وَذَٰلِكَ
هُوَ
ٱلۡفَوۡزُ
ٱلۡعَظِيمُ
١١١
Thật vậy, Allah đã mua từ những người có đức tin mạng sống và tài sản của họ (để đổi lấy) việc họ sẽ có được Thiên Đàng (của Ngài). Họ chiến đấu vì con đường chính nghĩa của Allah, họ giết và bị giết. (Đó là) một lời hứa thực sự (ràng buộc) đối với Ngài trong Tawrah (Kinh Cựu Ước), trong Injil (Kinh Tân Ước) và cả trong Qur’an. Và ai là người trung thực với giao ước của mình hơn Allah? Vì vậy, các ngươi hãy vui mừng về cuộc giao dịch mà các ngươi đã ký kết với Ngài, và đó là một thành tựu vĩ đại.
Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith

এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি তাঁর মুমিন বান্দাদেরকে তাঁর পথে ব্যয়কৃত জান ও মালের বিনিময় হিসেবে জান্নাত প্রদান করবেন। আর এটা বিনিময় নয় বরং তার ফল, করম ও অনুগ্রহ। কেননা, বান্দাদের সাধ্যে যা ছিল তা তারা করেছে। এখন তিনি তার অনুগত বান্দাদের জন্যে কোন বিনিময় বা প্রতিদান ঠিক করলে জান্নাতই ঠিক করবেন। এ জন্যেই হাসান বসরী (রঃ) এবং কাতাদা (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ তা'আলা যখন তাঁর বান্দাদের সাথে বেচাকেনা করলেন তখন তিনি তাদের খিদমতের বিরাট ও উচ্চমূল্য প্রদান করলেন। আর শামর ইবনে আতিয়্যা (রঃ) বলেন যে, এমন কোন মুসলিম নেই যার স্কন্ধে আল্লাহর অঙ্গীকার ও চুক্তি নেই, যা সে পূর্ণ করে এবং যার উপর সে মৃত্যুবরণ করে। অতঃপর তিনি উপরোক্ত আয়াতটি পাঠ করেন। এ জন্যেই বলা হয় যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করার উদ্দেশ্যে বের হলো সে যেন আল্লাহর সাথে বেচাকেনা করলো এবং আল্লাহ তার সাথে এই আ কবূল করে নিলেন ও তা পূর্ণ করলেন।মুহাম্মাদ ইবনে কা'ব আল কারাযী (রঃ) প্রমুখ গুরুজন বলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) লাইলাতুল আকাবার সময় বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি আল্লাহর জন্যে এবং আপনার জন্যেও যা ইচ্ছা হয় আমাদের উপর শর্ত আরোপ করুন।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “আল্লাহ সম্পর্কে আমি তোমাদের উপর এই শর্ত আরোপ করছি যে, তোমরা তার খাটি বান্দা হয়ে থাকবে, তাঁর ইবাদত করবে এবং তার সাথে অন্য কাউকেও শরীক করবে না। আর আমার সম্পর্কে তোমাদের উপর এই শর্ত আরোপ করছি যে, যেসব বিষয় থেকে তোমরা নিজেদের জান ও মালকে রক্ষা করে থাকো সেই সব বিষয়ে আমার ব্যাপারেও শুভাকাঙক্ষী হয়ে থাকবে।” তখন তিনি বলেনঃ “এর বিনিময়ে আমরা কি পাবো? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “এর বিনিময় হচ্ছে জান্নাত।” তাঁর এ কথা শুনে প্রশ্নকারীরা বললেনঃ “এটা তো বড় লাভের ব্যবসা। আমরা অঙ্গীকার ভঙ্গ করবো না এবং আমাদের সাথে কৃত অঙ্গীকারও ভঙ্গ করা হবে না।” তখন (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, অতঃপর হত্যা করে ও নিহত হয়। সাওয়াবের দিক দিয়ে দুটোই সমান হয়। তারা হত্যা করে গাযী হাক অথবা নিহত হয়ে শহীদ হাক। সর্বাবস্থাতেই তাদের জন্যে জান্নাত অবধারিত রয়েছে। এ জন্যেই সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে এসেছে- “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে বের হয়, আর এই বের হওয়ার পেছনে একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে তার পথে জিহাদ করা এবং তার রাসূলদের সত্যতা প্রমাণ করা, এ অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়, আল্লাহ তার যিম্মাদার যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করাবেন। আর যদি মারা না যায় তবে আল্লাহ এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন যে, সে যেখান থেকে বের হয়েছে সেখানে তাকে তার লাভকৃত গনীমতের মালসহ পৌছিয়ে দিবেন।”(আরবী) আল্লাহ পাকের এই উক্তিটি তার ওয়ার্দার গুরুত্ব হিসেবে করা হয়েছে। বলা হচ্ছে যে, তিনি নিজের পবিত্র সত্তার উপর এটা ফরয করে নিয়েছেন এবং তাঁর রাসূলদের উপর তাঁর এই ওয়াদার অহীও পাঠিয়েছেন, যা মূসা (আঃ)-এর উপর অবতারিত কিতাব তাওরাতে লিপিবদ্ধ আছে এবং ঈসা (আঃ)-এর উপর অবতারিত কিতাব ইঞ্জীলেও লিখিত রয়েছে, আর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর উপর অবতারিত কিতাব আল কুরআনের মধ্যে লিখা আছে। তাদের সবারই উপর আল্লাহর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হাক। মহান আল্লাহর উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ আল্লাহ অপেক্ষা স্বীয় ওয়াদা অধিক পূর্ণকারী আর কে হতে পারে? কেননা, তিনি কখনো ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। যেমন তিনি অন্য জায়গায় বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “কথায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী আর কে আছে?” (৪:৮৭) আর এক স্থানে তিনি বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ কথা বলায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে?" (৪:১২২) এ জন্যেই ইরশাদ হচ্ছে-আল্লাহর সাথে তোমরা যে বেচা-কেনা করেছে এতে তোমরা খুশী হয়ে যাও এবং এই সফলতা হচ্ছে বিরাট সফলতা, যদি তোমরাও নিজেদের অঙ্গীকার পূর্ণ কর।