Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ
20:12
اني انا ربك فاخلع نعليك انك بالواد المقدس طوى ١٢
إِنِّىٓ أَنَا۠ رَبُّكَ فَٱخْلَعْ نَعْلَيْكَ ۖ إِنَّكَ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًۭى ١٢
إِنِّيٓ
أَنَا۠
رَبُّكَ
فَٱخۡلَعۡ
نَعۡلَيۡكَ
إِنَّكَ
بِٱلۡوَادِ
ٱلۡمُقَدَّسِ
طُوٗى
١٢
“Quả thật TA là Thượng Đế của Ngươi. Nào, Ngươi hãy cởi giày của Ngươi ra bởi đích thực Ngươi đang ở nơi thung lũng Tuwa linh thiêng.”
Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 20:11 đến 20:16

১১-১৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলেনঃ হযরত মূসা (আঃ) যখন আগুনের কাছে পৌঁছলেন তখন ঐ বরকতময় মাঠের ডান দিকের গাছগুলির নিকট থেকে শব্দ আসলোঃ হে মূসা (আঃ)! আমি তোমার প্রতিপালক। তুমি তোমার পায়ের জুতা খুলে ফেলো। তাকে জুতা খুলে ফেলার নির্দেশ দেয়ার কারণ হয়তো এই যে, তার ঐ জুতা গাধার চামড়া দ্বারা নির্মিত ছিল, কিংবা হয়তো ঐ স্থানের সম্মানের কারণেই এই নিদের্শ দেয়া হয়েছিল যেমন কাবা গৃহে প্রবেশের সময় লোকেরা জুতা খুলে নেয়। অথবা ঐ বরকতময় জায়গায় পা পড়বে বলেই তাকে এই হুকুম দেয়া হয়। আরো কারণ বর্ণনা করা হয়েছে।ঐ উপত্যকার নাম ছিল তুওয়া। কিংবা ভাবার্থ হচ্ছেঃ তুমি তোমার পা এই যমীনের সাথে মিলিয়ে নাও। অথবা ভাবার্থ হলোঃ এই যমীনকে কয়েকবার পাক করা হয়েছে এবং তাতে বরকত পরিপূর্ণ করে দেয়া হয়েছে। এভাবে বারবার করা হয়েছে এর পুনরাবৃতি। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই সঠিকতম। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “যখন তাঁর প্রতিপালক তাঁকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় আহবান করেন। (৭৯:১৬)মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি তোমাকে (রাসূল রূপে) মনোনীত করেছি। এই সময়ের সমস্ত লোকের উপর আমি তোমার মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছি। বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ তাআলা হযরত মূসাকে (আঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “আমি তোমাকে সমস্ত মানুষের উপর মর্যাদা দান করে তোমার সাথে আমি কথা বলেছি এর কারণ তুমি জান কি?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! এর কারণ তো আমার জানা নেই। তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে বলেনঃ “এর কারণ এই যে, তোমার মত কেউ আমার দিকে ঝুঁকে পড়ে নাই।” এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ যা ওয়াহী প্রেরণ করা হচ্ছে তুমি তা মনোযোগের সাথে শ্রবণ কর। আমিই তোমার মা'বূদ, আমি ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই। এটাই হলো তোমার প্রথম কর্তব্য যে, তুমি শুধু আমারই ইবাদত করবে। আর কারো কোন প্রকারের ইবাদত করবে না। আমাকে স্মরণার্থে নামায কায়েম কর। আমাকে স্মরণ করার সর্বোত্তম পন্থা হলো এটাই। অথবা এটা ভাবার্থ হবেঃ যখন আমাকে স্মরণ হবে তখন নামায কায়েম কর। যেমন হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমাদের যদি কারো ঘুম এসে যায় বা গাফেল হয়ে পড়ে তবে যখন স্মরণ হয়ে যাবে তখন যেন নামায পড়ে নেয়। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ “আমার স্মরণাথে তোমরা নামায কায়েম কর।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)হযরত আনাস (রাঃ) হতেই বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি নামায হতে ঘুমিয়ে পড়ে বা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে নেয়। তার কাফফারা এটা ছাড়া আর কিছুই নয়।" (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী, আমি এটা গোপন রাখতে চাই যাতে প্রত্যেকেই নিজ কর্মানুযায়ী ফল লাভ করতে পারে। এক কিরআতে (আরবী) এর পরে (আরবী) শব্দও রয়েছে। কেননা আল্লাহ তাআলার সত্ত্বা হতে কোন কিছু গোপন নেই। সুতরাং অর্থ হবেঃ এর জ্ঞান আমি আমা ছাড়া আর কাউকেও প্রদান করবো না। কাজেই সারা ভূ-পৃষ্ঠে এমন কেউ নেই যার কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার নির্ধারিত সময় জানা আছে। এটা এমন একটা বিষয় যে, সম্ভব হলে আমি নিজ হতেও ওটাকে গোপন রাখতাম। কিন্তু আমার কাছে কোন কিছু গোপন থাকা সম্ভব নয়। এটা ফেরেশতাদের হতেও গোপন আছে এবং নবীরাও এটা জানেন না। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ (হে নবী (সঃ)! তুমি বলে দাওঃ আল্লাহ ছাড়া আসমান ও যমীনবাসীদের কেউই গায়েবের খবর জানে না।" (২৭:৬৫) অন্য আয়াতে আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ কিয়ামত) আসমানে ও যমীনে ভারী হয়ে গেছে, ওটা তোমাদের উপর হঠাৎ এসে যাবে।” (৭:১৮৭) অর্থাৎ এর অবগতি কারো নেই। এক কিরআতে (আরবী) রয়েছে। অরফা (রঃ) বলেনঃ “আমাকে হযরত সাঈদ ইবনু জুবাইর (রঃ) এভাবেই পড়িয়েছেন। এর অর্থ হলো (আরবী) অর্থাৎ আমি “ওটাকে প্রকাশ করবো।" সেইদিন প্রত্যেক আমলকারীকে তার আমলের প্রতিদান দেয়া হবে। তা অনুপরিমাণ পুণ্যই হোক অথবা পাপই হোক। ঐদিন প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের ফল ভোগ করতেই হবে।সুতরাং যে ব্যক্তি কিয়ামতে বিশ্বাস করে না এবং নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে যেন তোমাকে কিয়ামতে বিশ্বাস স্থাপন হতে নিবৃত্ত না করে। যদি সে তোমাকে নিবৃত্ত করতে সক্ষম হয়ে যায় তবে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।