سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔
21:21
ام اتخذوا الهة من الارض هم ينشرون ٢١
أَمِ ٱتَّخَذُوٓا۟ ءَالِهَةًۭ مِّنَ ٱلْأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ ٢١
اَمِ
اتَّخَذُوْۤا
اٰلِهَةً
مِّنَ
الْاَرْضِ
هُمْ
یُنْشِرُوْنَ
۟
کیا انہوں نے زمین میں کچھ ایسے معبودبنا لیے ہیں جو نشوونما دیتے ہیں
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث
آپ 21:21 سے 21:23 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

২১-২৩ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা শিরকে খণ্ডন করতে গিয়ে বলেনঃ হে মুশরিকদের দল! আল্লাহ ছাড়া তোমরা যে সবের পূজা করে থাকে। তাদের মধ্যে একজনও এমন নেই যে মৃতকে জীবিত করতে পারে। একজন কেন, সবাই মিলিত হলেও তাদের এ ক্ষমতা হবে না। তা হলে যে আল্লাহ এ ক্ষমতা রাখেন তাদের তার সমান মর্যাদা দেয়া অন্যায় নয় কি?এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আচ্ছা, যদি বাস্তবে এটা মেনে নেয়া হয় যে, বহু মাবুদ রয়েছে তবে আসমান ও যমীনের ধ্বংস অপরিহার্য হয়ে পড়বে। যেমন তিনি অন্য জায়গায় বলেনঃ “আল্লাহর সন্তান নেই এবং তাঁর সাথে অন্য কোন মাবুদও নেই; যদি এরূপ হতো তবে প্রত্যেকেই নিজ নিজ সৃষ্ট বস্তুকে নিয়ে ফিরতে এবং প্রত্যেকেই অন্যের উপর জয়যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতো। আল্লাহ তাআলা তাদের বর্ণনাকৃত বিশেষণ হতে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র।” এখানে তিনি বলেনঃ তারা যা বলে তা হতে আরশের অধিপতি আল্লাহ পবিত্র ও মহান। অর্থাৎ ছেলে মেয়ে হতে তিনি পবিত্র ও মুক্ত। অনুরূপভাবে তিনি সঙ্গী সাথী, অংশীদার ইত্যাদি হতেও উর্ধ্বে। তাদের এ সব কিছু তার উপর অপবাদ ছাড়া কিছুই নয়। এগুলি থেকে আল্লাহর সত্ত্বা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত। তার মাহাত্মতো এই যে, সাধারণভাবে তিনি প্রকৃত শাহানশাহ। তার উপরে শাসনকর্তা হুকুমের কৈফিয়ত চাইতে পারে না এবং কেউ তার কোন ফরমনি টলাতেও পারে না। তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব, মর্যাদা, বড়ত্ব, জ্ঞান, হিকমত, ন্যায় বিচার এবং মেহেরবানী অতুলনীয়। তাই, তার বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে পারে না। কেউ তার সামনে টু শব্দটিও করতে পারে না। সবাই তার সামনে অপারগ ও নিরুপায়। কেউই কোন শক্তি রাখে না। কেউ এমন নেই যে, তার সামনে কথা বলার সাহস রাখে। এ কাজ কেন করলেন এবং কেন এটা হলো এরূপ প্রশ্ন তাঁকে করতে পারে এমন সাধ্য কারো নেই। তিনি সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা এবং সবারই তিনি মালিক বলে তিনি যাকে ইচ্ছা যে কোন প্রশ্ন করতে পারেন। প্রত্যেকের কাজের তিনি হিসাব গ্রহণ করবেন। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমার প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই আমি তাদের সকলকেই তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করবো।” (১৫:৯২-৯৩) যে তার, আশ্রয়ে এসে যাবে সে সমস্ত অকল্যাণ ও বিপদাপদ হতে বেঁচে যাবে। পক্ষান্তরে, এমন কেউ নেই যে তাঁর বিপক্ষে অপরাধীকে আশ্রয় দিতে পারে।