Giriş yap
Giriş yap
Giriş yap
Dil Seçin
47:35
فلا تهنوا وتدعوا الى السلم وانتم الاعلون والله معكم ولن يتركم اعمالكم ٣٥
فَلَا تَهِنُوا۟ وَتَدْعُوٓا۟ إِلَى ٱلسَّلْمِ وَأَنتُمُ ٱلْأَعْلَوْنَ وَٱللَّهُ مَعَكُمْ وَلَن يَتِرَكُمْ أَعْمَـٰلَكُمْ ٣٥
فَلَا
تَهِنُواْ
وَتَدۡعُوٓاْ
إِلَى
ٱلسَّلۡمِ
وَأَنتُمُ
ٱلۡأَعۡلَوۡنَ
وَٱللَّهُ
مَعَكُمۡ
وَلَن
يَتِرَكُمۡ
أَعۡمَٰلَكُمۡ
٣٥
Ey inananlar! Sizler daha üstün olduğunuz halde düşman karşısında gevşemeyin ki barış istemek zorunda kalmayasınız; Allah sizinle beraberdir; sizin işlerinizi eksiltmeyecektir.
Tefsirler
Katmanlar
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
Hadis
47:32 ile 47:35 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

৩২-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, যারা কুফরী করে, মানুষকে আল্লাহর পথ হতে নিবৃত্ত করে এবং নিজেদের নিকট পথের দিশা ব্যক্ত হবার পর রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহ তাআলার কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। তারা নিজেদেরই ক্ষতি সাধন করছে। কাল কিয়ামতের দিন তারা হবে শূন্যহস্ত, একটিও পুণ্য তাদের কাছে থাকবে না। যেমন পুণ্য পাপকে সরিয়ে দেয়, অনুরূপভাবে তাদের পাপকর্ম পুণ্যকর্মগুলোকে বিনষ্ট করে দিবে।ইমাম আহমাদ ইবনে নসর আল মারূযী (রঃ) কিতাবুস সলাত’ এর মধ্যে বর্ণনা করেছেনঃ সাহাবীদের (রাঃ) ধারণা ছিল যে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর সাথে কোন গুনাহ ক্ষতিকারক নয় যেমন শিরকের সাথে কোন পুণ্য উপকারী। নয়। তখন (আরবী)-এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। এতে সাহাবীগণ (রাঃ) ভীত হয়ে পড়েন যে, না জানি হয় তো পাপকর্ম পুণ্যকর্মকে বিনষ্ট করে ফেলবে। অন্য সনদে বর্ণিত আছেঃ সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ)-এর ধারণা ছিল যে, প্রত্যেক পুণ্যকর্ম নিশ্চিতরূপে গৃহীত হয়ে থাকে। অবশেষে যখন (আরবী)-এই আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন তারা বলেনঃ “আমাদের পূণ্যকর্ম বিনষ্টকারী হচ্ছে গুনাহ কবীরা ও পাপকর্ম।” তখন আল্লাহ তা'আলা (আরবী) (৪:১১৬)-এই আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। সাহাবীগণ তখন এ ব্যাপারে কোন কথা বলা হতে বিরত থাকেন এবং যারা কবীরা গুনাহতে লিপ্ত থাকে তাদের সম্পর্কে তাদের ভয় থাকতো। আর যারা এর থেকে বেঁচে থাকেন তাঁদের ব্যাপারে তাঁরা ছিলেন আশাবাদী।এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তার ঈমানদার বান্দাদেরকে তাঁর এবং তাঁর রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্যের নির্দেশ দিচ্ছেন যা তাদের জন্যে দুনিয়া ও আখিরাতের সৌভাগ্যের জিনিস। অতঃপর আল্লাহ পাক বলেনঃ যারা কুফরী করে ও আল্লাহর পথ হতে মানুষকে নিবৃত্ত করে, তারপর কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করলে তিনি এ পাপ কখনো ক্ষমা করবেন না এবং এ পাপ ছাড়া অন্য পাপে লিপ্ত ব্যক্তিদের তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।”(৪:১১৬)। অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় মুমিন বান্দাদেরকে সম্বোধন করে বলেনঃ “তোমরা তোমাদের শত্রুদের মুকাবিলায় হীনবল হয়ো না ও কাপুরুষতা প্রদর্শন করো না এবং তাদের কাছে সন্ধির প্রস্তাব করো না। তোমরা তো প্রবল। আল্লাহ তোমাদের সঙ্গে আছেন। তিনি তোমাদের কর্মফল কখনো ক্ষুন্ন করবেন না।” তবে হ্যা, কাফিররা যখন শক্তিতে, সংখ্যায় ও অস্ত্রে-শস্ত্রে প্রবল হবে তখন যদি মুসলমানদের নেতা সন্ধি করার মধ্যেই কল্যাণ বুঝতে পারেন তবে এমতাবস্থায় কাফিরদের নিকট সন্ধির প্রস্তাব উত্থাপন করা জায়েয। যেমন হুদায়বিয়াতে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) করেছিলেন। যখন মুশরিকরা সাহাবীবর্গসহ তাকে মক্কায় প্রবেশে বাধা দেয় তখন তিনি তাদের সাথে দশ বছর পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ রাখার ও সন্ধি প্রতিষ্ঠিত রাখার চুক্তি করেন। এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ মুমিনদেরকে বড় সুসংবাদ শুনাচ্ছেনঃ আল্লাহ তোমাদের সঙ্গে রয়েছেন, সুতরাং সাহায্য ও বিজয় তোমাদেরই জন্যে। তোমরা এটা বিশ্বাস রাখো যে, তোমাদের ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতম পুণ্যকর্মও বিনষ্ট করা হবে , বরং ওর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে প্রদান করা হবে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।