Identifikohu
Identifikohu
Identifikohu
Zgjidh Gjuhën

Tefsir: Ghafir 40:43

40:43
لا جرم انما تدعونني اليه ليس له دعوة في الدنيا ولا في الاخرة وان مردنا الى الله وان المسرفين هم اصحاب النار ٤٣
لَا جَرَمَ أَنَّمَا تَدْعُونَنِىٓ إِلَيْهِ لَيْسَ لَهُۥ دَعْوَةٌۭ فِى ٱلدُّنْيَا وَلَا فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ وَأَنَّ مَرَدَّنَآ إِلَى ٱللَّهِ وَأَنَّ ٱلْمُسْرِفِينَ هُمْ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ٤٣
لَا
جَرَمَ
أَنَّمَا
تَدۡعُونَنِيٓ
إِلَيۡهِ
لَيۡسَ
لَهُۥ
دَعۡوَةٞ
فِي
ٱلدُّنۡيَا
وَلَا
فِي
ٱلۡأٓخِرَةِ
وَأَنَّ
مَرَدَّنَآ
إِلَى
ٱللَّهِ
وَأَنَّ
ٱلۡمُسۡرِفِينَ
هُمۡ
أَصۡحَٰبُ
ٱلنَّارِ
٤٣
Tefsiret
Shtresat
Mësimet
Reflektime
Përgjigjet
Kiraat
Hadith

নিশ্চয়ই[১] তোমরা আমাকে এমন একজনের প্রতি আহবান করছ, যে ইহলোকে[২] ও পরলোকে কোথাও আহবান-যোগ্য নয়।[৩] বস্তুতঃ আমাদের প্রত্যাবর্তন তো আল্লাহর দিকে[৪] এবং অবশ্যই সীমালংঘনকারীরাই জাহান্নামের অধিবাসী।[৫]

[১] لاَ جَرَمَ এর অর্থঃ এ কথা নিশ্চিত যে অথবা এ কথা মিথ্যা নয় যে।[২] অর্থাৎ, ইহকালে কারো আহবান শোনারই তো ক্ষমতা রাখে না যে, তোমাদের উপকার করতে পারে অথবা উপাস্য হওয়ার যোগ্য হতে পারে। এর অর্থ প্রায়ই ঐ অর্থই যা এই আয়াতে এবং এই ধরনের অন্যান্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে,﴿وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ يَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَنْ لا يَسْتَجِيبُ لَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَهُمْ عَنْ دُعَائِهِمْ غَافِلُونَ﴾ অর্থাৎ, সে ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত কে, যে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যা কিয়ামত দিবস পর্যন্তও তার ডাকে সাড়া দেবে না? আর তারা তাদের ডাক সম্বন্ধে অবহিতও নয়। (সূরা আহক্বাফ ৪৬:৫ আয়াত) ﴿إِنْ تَدْعُوهُمْ لا يَسْمَعُوا دُعَاءَكُمْ وَلَوْ سَمِعُوا مَا اسْتَجَابُوا لَكُمْ ﴾ অর্থাৎ, যদি তোমরা তাদেরকে ডাক, তবে তারা তোমাদের ডাক শোনে না। আর শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। (সূরা ফাত্বির ৩৫:১৪ আয়াত)[৩] অর্থাৎ, এটাও সম্ভব নয় যে, আখেরাতে তারা কারো ডাক শুনে তাকে আযাব থেকে মুক্তি দিতে পারবে অথবা সুপারিশ করার ক্ষমতা রাখবে। যাদের অবস্থা এই, তারা কি উপাস্য হওয়ার যোগ্য যে, তাদের ইবাদত করা যাবে? (এই জন্য উলামাগণ বলেন, সাহায্যের জন্য গায়রুল্লাহকে আহবান করা তিনটি শর্তে বৈধ; (ক) তাকে জীবিত থাকতে হবে, (খ) উপস্থিত থাকতে হবে এবং (গ) সাড়া দেওয়া বা সাহায্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। নচেৎ তাকে আহবান করা বৃথা ও শিরক। -সম্পাদক)[৪] যেখানে সকলের হিসাব হবে এবং ভাল ও মন্দ আমল অনুযায়ী প্রতিদান ও শাস্তি দেওয়া হবে।[৫] অর্থাৎ, কাফের ও মুশরিকরা। যারা আল্লাহর অবাধ্যতায় সীমাতিক্রম করে। অনুরূপ যে মুসলিম খুব বেশী পাপকারী হবে, যার অবাধ্যতা 'সীমালঙ্ঘন'এর পর্যায়ে পৌঁছে যাবে (এবং তা শিরক বা কুফরী না হয়ে কাবীরা গোনাহ হবে, আল্লাহ মাফ না করলে) তাকেও কিছুকাল জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করতে হবে। অতঃপর রসূল (সাঃ)-এর সুপারিশ অথবা আল্লাহর ইচ্ছায় তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।