Entrar
Entrar
Entrar
Selecione o idioma

Tafsir: Ibrahim 14:27

14:27
يثبت الله الذين امنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الاخرة ويضل الله الظالمين ويفعل الله ما يشاء ٢٧
يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱلْقَوْلِ ٱلثَّابِتِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَيُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلظَّـٰلِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ ٢٧
يُثَبِّتُ
ٱللَّهُ
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
بِٱلۡقَوۡلِ
ٱلثَّابِتِ
فِي
ٱلۡحَيَوٰةِ
ٱلدُّنۡيَا
وَفِي
ٱلۡأٓخِرَةِۖ
وَيُضِلُّ
ٱللَّهُ
ٱلظَّٰلِمِينَۚ
وَيَفۡعَلُ
ٱللَّهُ
مَا
يَشَآءُ
٢٧
Deus afirmará os fiéis com a palavra firme da vida terrena, tão bem como na outra vida; e deixará que os iníquos sedesviem, porque procede como Lhe apraz.
Tafsirs
Camadas
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Hadith

যারা বিশ্বাসী তাদেরকে আল্লাহ শাশ্বত বাণী দ্বারা ইহজীবনে ও পরজীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখেন[১] এবং যারা সীমালংঘনকারী আল্লাহ তাদেরকে বিভ্রান্ত করেন; আল্লাহ যা ইচ্ছা তা করেন।

[১] এর ব্যাখ্যা হাদীসে এরূপ এসেছে যে, মৃত্যুর পর কবরে মুসলিমকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন সে উত্তরে এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন (সত্য) মা'বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রসূল। সুতরাং এটাই অর্থ হচ্ছে আল্লাহর এই বাণীর ﴿يُثَبِّتُ اللّهُ الَّذِينَ آمَنُواْ﴾ (বুখারীঃ তাফসীর সূরা ইবরাহীম, মুসলিমঃ কিতাবুল জান্নাতি ওয়া সিফাতি নাঈমিহা) অন্য এক হাদীসে আছে যে, যখন বান্দাকে কবরে রাখা হয় এবং তার সঙ্গীরা চলে আসে, তখন সে তাদের জুতার আওয়াজ শোনে। অতঃপর তার নিকট দু'জন ফিরিশতা আসেন এবং তাকে উঠিয়ে (নবী (সাঃ)-এর প্রতি ইঙ্গিত করে) জিজ্ঞেস করেন যে, 'এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার মত কি?' সে মু'মিন হলে উত্তর দেয় যে, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রসূল। ফিরিশতাগণ তাকে জাহান্নামের ঠিকানা দেখিয়ে বলেন যে, আল্লাহ এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে ঠিকানা বানিয়ে দিয়েছেন। সে উক্ত উভয় ঠিকানা দেখে এবং তার কবর সত্তর হাত প্রশস্ত করে দেওয়া হয় এবং তার কবরকে কিয়ামত অবধি নিয়ামত সম্ভার দিয়ে পরিপূর্ণ করে দেওয়া হয়। (মুসলিম, উপরোক্ত পরিচ্ছেদ) আরেক হাদীসে আছে, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, 'তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে?' সুতরাং আল্লাহ তাআলা অটলতা দান করেন এবং সে উত্তর দেয়, 'আমার রব আল্লাহ, আমার দ্বীন ইসলাম এবং আমার নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)।' (তাফসীর ইবনে কাসীর)