Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Al-Ahqaaf 46:8

46:8
ام يقولون افتراه قل ان افتريته فلا تملكون لي من الله شييا هو اعلم بما تفيضون فيه كفى به شهيدا بيني وبينكم وهو الغفور الرحيم ٨
أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ ۖ قُلْ إِنِ ٱفْتَرَيْتُهُۥ فَلَا تَمْلِكُونَ لِى مِنَ ٱللَّهِ شَيْـًٔا ۖ هُوَ أَعْلَمُ بِمَا تُفِيضُونَ فِيهِ ۖ كَفَىٰ بِهِۦ شَهِيدًۢا بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ ۖ وَهُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٨
أَمۡ
يَقُولُونَ
ٱفۡتَرَىٰهُۖ
قُلۡ
إِنِ
ٱفۡتَرَيۡتُهُۥ
فَلَا
تَمۡلِكُونَ
لِي
مِنَ
ٱللَّهِ
شَيۡـًٔاۖ
هُوَ
أَعۡلَمُ
بِمَا
تُفِيضُونَ
فِيهِۚ
كَفَىٰ
بِهِۦ
شَهِيدَۢا
بَيۡنِي
وَبَيۡنَكُمۡۖ
وَهُوَ
ٱلۡغَفُورُ
ٱلرَّحِيمُ
٨
(Bukan setakat itu sahaja mereka katakan) bahkan mereka menuduh dengan berkata: "Muhammad telah merekakan Al-Quran itu." Katakanlah (Wahai Muhammad): "Kalau aku merekakan Al-Quran itu (maka tentulah aku tidak terlepas dari azab kesalahan itu) kerana kamu (dan juga yang lain dari kamu) tidak berkuasa memberikan daku sebarang perlindungan dari (azab) Allah. Allah lebih mengetahui akan (tuduhan-tuduhan yang tidak berasas) yang kamu perkatakan itu; cukuplah Allah menjadi saksi antaraku dengan kamu, dan Dia lah jua Yang Maha Pengampun, lagi Maha Mengasihani."
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis

তবে কি তারা বলে যে, ‘সে (মুহাম্মাদ) এটা (কুরআন) উদ্ভাবন করেছে?’ [১] তুমি বল, ‘যদি আমি এটা উদ্ভাবন করে থাকি, তাহলে তোমরা তো আল্লাহর শাস্তি হতে আমাকে কিছুতেই রক্ষা করতে পারবে না।[২] তোমরা যে বিষয়ে আলোচনায় লিপ্ত আছ, সে সম্বন্ধে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। [৩] আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে তিনিই যথেষ্ট[৪] এবং তিনিই চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ [৫]

[১] এখানে তাদের কাছে আগত 'হক' বা 'সত্য' হল কুরআন। তারা তার অলৌকিকতা ও আকর্ষণ শক্তি দেখে তাকে 'যাদু' বলে আখ্যায়িত করত। আবার এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে অথবা যখন এ কথায় কোন ফল বুঝত না বা কোন কাজ হত না, তখন তারা বলত, এটা তো মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নিজের উদ্ভাবন করা (স্বরচিত) বাণী।[২] অর্থাৎ, তোমাদের এ কথা যদি সঠিক হয় যে, আমি আল্লাহ-প্রেরিত রসূল নই এবং এ বাণী আমারই রচনা করা, তাহলে তো নিশ্চয় আমি এক বড় অপরাধী। এত বড় মিথ্যা অপরাধে মহান আল্লাহ আমাকে পাকড়াও না করে কিছুতেই ছেড়ে দেবেন না। আর এ ধরনের কোন ধর-পাকড় যদি হয়, তাহলে জেনে নিও যে, আমি মিথ্যুক এবং তোমরা আমার কোন সাহায্যও করো না। বরং এমতাবস্থায় আল্লাহর শাস্তি হতে আমাকে রক্ষা করার তোমাদের কোন এখতিয়ারই থাকবে না। এই বিষয়টিকে অন্যত্র এইভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে, ﴿وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيلِ، لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ، ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ، فَمَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ﴾ (الحاقة:৪৪-৪৭) অর্থাৎ, সে যদি আমার নামে কিছু রচনা করে চালাতে চেষ্টা করত। তবে অবশ্যই আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম এবং কেটে দিতাম তার জীবন-ধমনী। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে তাকে রক্ষা করতে পারত। (সূরা হাক্কাহ ৬৯:৪৪-৪৭)[৩] অর্থাৎ, যত রকম ভাবেই তোমরা এ কুরআনকে মিথ্যাজ্ঞান করছ; কখনো যাদু বলে, কখনো জ্যোতিষীর বাণী বলে, আবার কখনো মস্তিস্ক-প্রসূত (স্বকপোলকল্পিত) বলে, আল্লাহ এসব খুব ভালোভাবেই জানেন। অর্থাৎ, তিনিই তোমাদেরকে তোমাদের এসব জঘন্য কার্যকলাপের বদলা দেবেন।[৪] এই কুরআন যে তাঁরই পক্ষ হতে অবতীর্ণ এ কথার উপর সাক্ষীর জন্য তিনি নিজেই যথেষ্ট এবং তোমাদের মিথ্যাজ্ঞান ও বিরোধিতা করার উপর সাক্ষীও তিনিই। এ কথায় তাদের জন্য কঠিন হুমকি ও ধমক রয়েছে।[৫] তার জন্য, যে তাওবা করে ঈমান আনবে এবং কুরআনকে আল্লাহর সত্য বাণী বলে বিশ্বাস করে নিবে। অর্থাৎ, সময় এখনও আছে। কাজেই তাওবা করে আল্লাহর ক্ষমা ও দয়ার অধিকারী হয়ে যাও।