Masuk
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa

tafsir: An-Nisa' 4:78

4:78
اينما تكونوا يدرككم الموت ولو كنتم في بروج مشيدة وان تصبهم حسنة يقولوا هاذه من عند الله وان تصبهم سيية يقولوا هاذه من عندك قل كل من عند الله فمال هاولاء القوم لا يكادون يفقهون حديثا ٧٨
أَيْنَمَا تَكُونُوا۟ يُدْرِككُّمُ ٱلْمَوْتُ وَلَوْ كُنتُمْ فِى بُرُوجٍۢ مُّشَيَّدَةٍۢ ۗ وَإِن تُصِبْهُمْ حَسَنَةٌۭ يَقُولُوا۟ هَـٰذِهِۦ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۭ يَقُولُوا۟ هَـٰذِهِۦ مِنْ عِندِكَ ۚ قُلْ كُلٌّۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ ۖ فَمَالِ هَـٰٓؤُلَآءِ ٱلْقَوْمِ لَا يَكَادُونَ يَفْقَهُونَ حَدِيثًۭا ٧٨
اَیْنَمَا
تَكُوْنُوْا
یُدْرِكْكُّمُ
الْمَوْتُ
وَلَوْ
كُنْتُمْ
فِیْ
بُرُوْجٍ
مُّشَیَّدَةٍ ؕ
وَاِنْ
تُصِبْهُمْ
حَسَنَةٌ
یَّقُوْلُوْا
هٰذِهٖ
مِنْ
عِنْدِ
اللّٰهِ ۚ
وَاِنْ
تُصِبْهُمْ
سَیِّئَةٌ
یَّقُوْلُوْا
هٰذِهٖ
مِنْ
عِنْدِكَ ؕ
قُلْ
كُلٌّ
مِّنْ
عِنْدِ
اللّٰهِ ؕ
فَمَالِ
هٰۤؤُلَآءِ
الْقَوْمِ
لَا
یَكَادُوْنَ
یَفْقَهُوْنَ
حَدِیْثًا
۟
Dimanapun kamu berada, kematian akan mendapatkan kamu, kendatipun kamu berada di dalam benteng yang tinggi dan kokoh. Jika mereka memperoleh kebaikan, mereka mengatakan, "Ini dari sisi Allah", dan jika mereka ditimpa suatu keburukan mereka mengatakan, "Ini dari engkau (Muhammad)." Katakanlah, "Semuanya (datang) dari sisi Allah." Maka mengapa orang-orang (munafik) itu hampir-hampir tidak memahami pembicaraan (sedikit pun)?"
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits

তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই; যদিও তোমরা সুউচ্চ সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর। [১] আর যদি তাদের কোন কল্যাণ হয়, তাহলে তারা বলে, এ তো আল্লাহর নিকট থেকে, আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তাহলে তারা বলে, এ তো তোমার নিকট থেকে।[২] বল, সব কিছুই আল্লাহর নিকট থেকে। এ সম্প্রদায়ের কি হয়েছে যে, এরা একেবারেই কোন কথা বোঝে না।[৩]

[১] দুর্বল মুসলিমদেরকে বুঝানো হচ্ছে যে, প্রথমতঃ যে দুনিয়ার জন্য তোমরা অবকাশ কামনা করছ, সে দুনিয়া হল ধ্বংসশীল এবং তার ভোগ-সামগ্রী ক্ষণস্থায়ী। এর তুলনায় আখেরাত অতি উত্তম এবং চিরস্থায়ী। আল্লাহর আনুগত্য না করে থাকলে সেখানে তোমাদেরকে শাস্তি পেতে হবে। দ্বিতীয়তঃ জিহাদ কর আর না কর, মৃত্যু তো তার নির্ধারিত সময়েই আসবে; যদিও তোমরা কোন সুদৃঢ় দুর্গের মধ্যে অবস্থান কর তবুও। অতএব জিহাদ থেকে পশ্চাৎপদ হওয়ার লাভ কি?

জ্ঞাতব্যঃ কোন কোন মুসলিমের এই ভয় যেহেতু প্রকৃতিগত ছিল, অনুরূপ যুদ্ধ বিলম্ব হওয়ার আশা প্রকাশ প্রতিবাদ ও অস্বীকৃতিমূলক ছিল না, বরং তাও ছিল প্রকৃতিগত ভয় থেকে সৃষ্ট ফল। এই জন্য মহান আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং বলিষ্ঠ দলীলাদির মাধ্যমে তাদেরকে সাহায্য ও উৎসাহিত করেছেন।

[২] এখান থেকে পুনরায় মুনাফিকদের আলোচনা শুরু হচ্ছে। পূর্ববর্তী উম্মতের অস্বীকারকারীদের মত এরাও বলল যে, কল্যাণ (সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, ভাল ফলনের ফসলাদি এবং ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির প্রাচুর্য ইত্যাদি) আল্লাহর পক্ষ হতে এবং অকল্যাণ (অনাবৃষ্টি এবং ধন-সম্পদের হ্রাস ইত্যাদি) হে মুহাম্মাদ! এগুলো তোমার পক্ষ হতে। অর্থাৎ, তোমার দ্বীন অবলম্বন করার ফল স্বরূপ এ বিপদ এসেছে। যেমন মূসা (আঃ) এবং ফিরআউন ও তার লোক-জনদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন, "যখন তাদের কোন কল্যাণ হত, তখন তারা বলত, 'এতো আমাদের প্রাপ্য।' আর যখন কোন অকল্যাণ হত, তখন তা মূসা ও তার সঙ্গীদেরকে অশুভ কারণরূপে মনে করত।" (আ'রাফঃ ১৩১) (অর্থাৎ --নাঊযু বিল্লাহ-- এ সব তাঁদের কুলক্ষণের কুফল মনে করে।)

[৩] অর্থাৎ, কল্যাণ-অকল্যাণ উভয়ই আল্লাহর পক্ষ হতে। কিন্তু এরা নিজেদের বিবেক-বুদ্ধির স্বল্পতা এবং মূর্খতা ও যুলুম-অত্যাচারের আধিক্যের কারণে তা বোঝে না।