وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: Fatir ۴۳:۳۵

۴۳:۳۵
استكبارا في الارض ومكر السيي ولا يحيق المكر السيي الا باهله فهل ينظرون الا سنت الاولين فلن تجد لسنت الله تبديلا ولن تجد لسنت الله تحويلا ٤٣
ٱسْتِكْبَارًۭا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَكْرَ ٱلسَّيِّئِ ۚ وَلَا يَحِيقُ ٱلْمَكْرُ ٱلسَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِۦ ۚ فَهَلْ يَنظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ ٱلْأَوَّلِينَ ۚ فَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ ٱللَّهِ تَبْدِيلًۭا ۖ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ ٱللَّهِ تَحْوِيلًا ٤٣
ٱسۡتِكۡبَارٗا
فِي
ٱلۡأَرۡضِ
وَمَكۡرَ
ٱلسَّيِّيِٕۚ
وَلَا
يَحِيقُ
ٱلۡمَكۡرُ
ٱلسَّيِّئُ
إِلَّا
بِأَهۡلِهِۦۚ
فَهَلۡ
يَنظُرُونَ
إِلَّا
سُنَّتَ
ٱلۡأَوَّلِينَۚ
فَلَن
تَجِدَ
لِسُنَّتِ
ٱللَّهِ
تَبۡدِيلٗاۖ
وَلَن
تَجِدَ
لِسُنَّتِ
ٱللَّهِ
تَحۡوِيلًا
٤٣
(این‌ها) بخاطر استکبار در زمین و نیرنگ‌های بد (شان) بود، و نیرنگ‌های بد جز دامن‌گیر صاحبانش نمی‌گردد، آنگاه آیا آنان (چیزی) جز سنت (و شیوۀ الله با) پیشینیان را انتظار دارند؟! پس هرگز برای سنت (و شیوۀ) الله تغیری پیدا نمی‌کنی و هرگز درطرز کار الله دگرگونی نمی‌یابی.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث

কারণ, এরা পৃথিবীতে উদ্ধত ছিল[১] এবং কূট ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। [২] আর কূট ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্রকারীদেরই পরিবেষ্টন করে।[৩] তবে কি এরা এদের পূর্ববর্তীদের বিধানের প্রতীক্ষা করছে?[৪] বস্তুতঃ তুমি আল্লাহর বিধানের কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না[৫] এবং আল্লাহর বিধানের কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।[৬]

[১] অর্থাৎ, তাঁর প্রতি ঈমান না এনে অস্বীকার ও বিরোধিতার পথ অবলম্বন করল, কারণ তারা ছিল অহংকারী।

[২] এবং কূট ষড়যন্ত্র অর্থাৎ ছল-চাতুরি, ধোকাবাজি ও কুকর্মে লিপ্ত ছিল।

[৩] অর্থাৎ, মানুষ কূট ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে; কিন্তু এরা জানে না যে, মন্দ কর্মের ফল মন্দই হয় এবং তার শাস্তি শেষ পর্যন্ত কূট ষড়যন্ত্রকারীর উপরই বর্তায়।

[৪] অর্থাৎ, এরা কি নিজেদের কুফর, শিরক, রসূলের বিরোধিতা এবং মু'মিনদেরকে কষ্ট দিতে অব্যাহত থেকে তারই অপেক্ষা করছে যে, তাদেরকেও ঐভাবে ধ্বংস করা হোক, যেভাবে পূর্ব জাতিসমূহ ধ্বংসের শিকার হয়েছে?

[৫] বরং তা ঐ রূপেই চালু আছে এবং সকল মিথ্যায়নকারীদের ভাগ্যে আছে ধ্বংস। অথবা 'পরিবর্তন পাবে না'-এর অর্থ এই যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহর আযাবকে রহমতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে না।

[৬] অর্থাৎ, আল্লাহর আযাব দূরকারী অথবা তার গতিমুখ পরিবর্তনকারী কেউ নেই। অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলা যে জাতিকে শাস্তি দিতে চান, তার গতিমুখ অন্য জাতির দিকে কেউ ফিরিয়ে দেবে, এমন শক্তি কারোর নেই। আল্লাহর এই রীতি ও বিধান বর্ণনার উদ্দেশ্য হল, আরবের মুশরিকদেরকে ভীতি প্রদর্শন করা যে, এখনো সময় আছে, তারা কুফরী ও শিরক ছেড়ে দিয়ে ঈমান নিয়ে আসুক। নচেৎ আল্লাহর সেই রীতি থেকে তারা নিষ্কৃতি পাবে না। অবিলম্বে বা বিলম্বে তার শাস্তি ভোগ করতেই হবে। আল্লাহর সেই রীতিকে কেউ না পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে, আর না কেউ আল্লাহর শাস্তিকে প্রতিহত করতে পারবে।