وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: Al-Furqan ۴۵:۲۵

۴۵:۲۵
الم تر الى ربك كيف مد الظل ولو شاء لجعله ساكنا ثم جعلنا الشمس عليه دليلا ٤٥
أَلَمْ تَرَ إِلَىٰ رَبِّكَ كَيْفَ مَدَّ ٱلظِّلَّ وَلَوْ شَآءَ لَجَعَلَهُۥ سَاكِنًۭا ثُمَّ جَعَلْنَا ٱلشَّمْسَ عَلَيْهِ دَلِيلًۭا ٤٥
أَلَمۡ
تَرَ
إِلَىٰ
رَبِّكَ
كَيۡفَ
مَدَّ
ٱلظِّلَّ
وَلَوۡ
شَآءَ
لَجَعَلَهُۥ
سَاكِنٗا
ثُمَّ
جَعَلۡنَا
ٱلشَّمۡسَ
عَلَيۡهِ
دَلِيلٗا
٤٥
آیا ندیدی چگونه پروردگارت سایه را گسترانیده است، و اگر می‌خواست آن را ساکن قرار می‌داد، پس خورشید را بر (وجود) آن دلیل قرار دادیم.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث

তুমি কি দেখ না, কিভাবে তোমার প্রতিপালক ছায়া বিস্তার করেন? [১] তিনি তো ইচ্ছা করলে একে স্থির রাখতে পারতেন; [২] অতঃপর আমি সূর্যকে এর নির্দেশক করেছি। [৩]

[১] এখান হতে আবার তাওহীদের প্রমাণাদির বর্ণনা শুরু হচ্ছে। দেখ! আল্লাহ কিভাবে পৃথিবীতে ছায়া ছড়িয়ে রেখেছেন। যা সুবহে সাদিক (কাকভোর) হতে সূর্য উঠা পর্যন্ত থাকে। অর্থাৎ, ঐ সময় রৌদ্র থাকে না। রৌদ্রের সাথে সাথে তা গুটিয়ে ও মিটে যেতে থাকে।

[২] অর্থাৎ, সব সময় ছায়াই থাকত, সূর্যের আলো তাকে শেষ করতে পারত না।

[৩] অর্থাৎ, রৌদ্র থেকে ছায়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। কারণ, প্রতিটি জিনিসকে তার বিপরীত দিয়ে চেনা যায়। যদি সূর্য না থাকত, তাহলে মানুষ ছায়াকে চিনতে পারত না।